
সাহাবি খুজায়মার একটি সাক্ষ্যের মূল্য
উপস্থিত মুসলমানরা বেদুইনের এমন আচরণের প্রতিবাদ করে বললেন, ‘আল্লাহর রাসুল কখনো মিথ্যা বলতে পারেন না।’ এমন সময় সাহাবি খুজায়মা (রা.) সেখানে এগিয়ে আসেন।

উপস্থিত মুসলমানরা বেদুইনের এমন আচরণের প্রতিবাদ করে বললেন, ‘আল্লাহর রাসুল কখনো মিথ্যা বলতে পারেন না।’ এমন সময় সাহাবি খুজায়মা (রা.) সেখানে এগিয়ে আসেন।

রাখাল ছেলে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের সততায় মুগ্ধ হয়ে নবী (সা.) অলৌকিকভাবে দুধ দেন। তিনি নবীজির বিশ্বস্ত খাদেম, যুদ্ধবীর এবং কোরআনের শীর্ষ বিশেষজ্ঞ হয়ে ওঠেন। রাসুল (সা.) চার সাহাবির মধ্যে তাঁকে কোরআন শেখার জন্য সর্বোচ্চ স্থান দেন।

হিজরতের পর রাসুল (সা.) মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন তৈরি করে দিয়েছিলেন। সে সূত্রে আব্দুর রহমানের ভাই হলেন আনসার সাহাবি সাদ ইবনে রবি।

হজরত আয়েশা (রা.) নিজ হাতে ঘরের কাজ করতেন এবং নবীজির যত্ন নিতেন অত্যন্ত নিবেদনের সাথে। তাঁর অতিথিপরায়ণতা ও দায়িত্ববোধ বর্তমান সমাজের জন্য অনুকরণীয়। হাদিসের উল্লেখসহ তাঁর জীবনের এই দিকগুলো বর্ণিত হয়েছে।

মাত্র ৩৬ বছরের সংক্ষিপ্ত জীবন, যার মধ্যে ইসলামের ছায়াতলে ছিলেন মাত্র ছয়টি বছর। যার বিদায়বেলায় মহান আল্লাহর আরশ পর্যন্ত কেঁপে উঠেছিল।

তিনি একবার নবীজিকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, গায়ের রঙের কারণে জান্নাতে তাঁর মর্যাদা কম হবে কি না। নবীজি তাঁকে আশ্বস্ত করেন। পরে তিনি এক যুদ্ধে শহীদ হন।

তাঁর মৃত্যুকে সাহাবিগণ বড় বিপর্যয় হিসেবে দেখেছেন। ইবনে আব্বাস (রা.) তাঁর মৃত্যুর সংবাদ শুনে সিজদা করেন—কারণ, নবীজির স্ত্রীদের মৃত্যু উম্মতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।