
বাংলা থেকে বিশ্ব: সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রযাত্রা
গল্প বলার শক্তি সত্যজিৎকে নাড়া দেয়। ১৯৪৭ সালে তিনি চিদানন্দ দাসগুপ্তদের সঙ্গে মিলে কলকাতা ফিল্ম সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন, যা তাঁকে বিশ্ব চলচ্চিত্রের সঙ্গে আরও পরিচিত করে।

গল্প বলার শক্তি সত্যজিৎকে নাড়া দেয়। ১৯৪৭ সালে তিনি চিদানন্দ দাসগুপ্তদের সঙ্গে মিলে কলকাতা ফিল্ম সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন, যা তাঁকে বিশ্ব চলচ্চিত্রের সঙ্গে আরও পরিচিত করে।

দীর্ঘ জীবনে করেছেন নানা বৈচিত্র্যময় কাজ। ছবিতে ছবিতে জেনে নেওয়া যাক সত্যজিৎ সম্পর্কে কিছু জানা–অজানা তথ্য।

সুকুমার ও উপেন্দ্রকিশোরের ধারাবাহিকতায় সত্যজিৎ রায়ের শিল্পযাত্রা ও তাঁর অনন্য সৃষ্টির ইতিহাস আজকের প্রয়াণ দিবসে স্মরণ করা হোক ছবির মাধ্যমে।

সত্যজিৎ রায় বহুমুখী প্রতিভার এক বিস্ময়কর প্রতিমূর্তি। তিনি শুধু একজন চলচ্চিত্র নির্মাতাই নন; ছিলেন একাধারে গল্পকার, চিত্রনাট্যকার, গীতিকার, সুরকার, অলংকরণশিল্পী, সম্পাদক ও প্রকাশক।

শুরুটা সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে, ছোট একটা চরিত্রে। কিন্তু সেখানেও ঠিকই নিজের ছাপ রেখেছিলেন। পরে শুরু হয় হিন্দি সিনেমার যাত্রা, বলিউডের মহাতারকার সঙ্গে প্রেম, অতঃপর বিয়ে।

১৯৬৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘আরাধনা’—যে ছবি রাজেশ খান্নাকে এক রাতের মধ্যে সুপারস্টারে পরিণত করেছিল—সেই ছবিটিই নাকি শুরুতে করতে চাননি তিনি!