নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা কেন জরুরি
২০১০ সালে সর্বশেষ জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের পর দেড় দশকের বেশি সময় পার হয়ে গেছে।
২০১০ সালে সর্বশেষ জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের পর দেড় দশকের বেশি সময় পার হয়ে গেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমের জন্য পৃথক প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সম্ভাবনা নিয়ে অধ্যক্ষ আবদুল্লাহ জামান উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এটি দেশের অভিন্ন শিক্ষাব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
গত ১২ বছরে মোদি সরকার প্রায় ১ লাখ সরকারি স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে; অন্যদিকে চালুর সুযোগ করে দিয়েছে ৪৩ হাজার বেসরকারি স্কুল।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভা ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ছাড়া দুর্নীতি ও নারী নির্যাতনের তদন্তে দুটি কমিশন গঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশের শিক্ষা সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন রাশেদা কে চৌধূরী।
শিক্ষায় বৈষম্য বলতে বোঝায় সমাজের সব শ্রেণির মানুষের জন্য সমানভাবে শিক্ষার সুযোগ, অংশগ্রহণ এবং সুফল নিশ্চিত না হওয়া। এই বৈষম্য আয়ভিত্তিক, লিঙ্গভিত্তিক, অঞ্চলভিত্তিক কিংবা সামাজিক অবস্থানের কারণে সৃষ্টি হতে পারে।
২০২১ সালে মন্ত্রিসভার রদবদলে এক ধাক্কায় বাদ দিয়েছিলেন ১২ জনকে। কোভিড তখন চরমে, অথচ স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনকে ছেঁটে ফেললেন! টুইটারের বিরুদ্ধে জিহাদে নেমেছিলেন আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ। তাঁকে ছাঁটাই করলেন। সরালেন শিক্ষানীতির রূপকার শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিওয়াল, পরিবেশমন্ত্রী প্রকাশ জাভরেকর, সারমন্ত্রী সদানন্দ গৌড়, শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ গাঙ্গোয়ারকে।
বৈঠকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক সরকারের প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্য ও নাট্যকলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেন।