
‘এবার মানতেই হবে, মেসিই সেরা’
‘প্রতি মৌসুমে, প্রতি বড় টুর্নামেন্টে, এমনকি বিশ্বকাপেও সে নিজেকে প্রমাণ করে চলেছে। তারপরও যদি কারও মনে সংশয় থাকে, তাহলে আর বলার কিছু নেই।’

‘প্রতি মৌসুমে, প্রতি বড় টুর্নামেন্টে, এমনকি বিশ্বকাপেও সে নিজেকে প্রমাণ করে চলেছে। তারপরও যদি কারও মনে সংশয় থাকে, তাহলে আর বলার কিছু নেই।’

বিশ্বকাপ ইতিহাসে এমন কিছু খেলোয়াড় আছেন, যাঁরা চূড়ান্ত দলে জায়গা না পাওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের পদক গলায় ঝুলিয়েছেন, হাতে তুলেছেন ট্রফি।

নতুন শতাব্দীর প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি ফুটবল ইতিহাসের দুই পরাশক্তি—ব্রাজিল ও জার্মানি। ব্রাজিল তখন চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, জার্মানি তিনবারের।

১৯৯৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের জয়ের পেছনে ভাগ্যের ছোঁয়া কিংবা রেফারির কৃপাদৃষ্টি—কোনো কিছুরই বিন্দুমাত্র ভূমিকা ছিল না। বরং পুরো টুর্নামেন্টে ৩টি লাল কার্ড দেখতে হয়েছিল তাদের।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের বিভিন্ন দক্ষতার মিশ্রণে কল্পিত একজন ‘সুপারহিরো’ খেলোয়াড় বানিয়েছে অপ্টা অ্যানালিস্ট।

চেলসি ফরোয়ার্ড জোয়াও পেদ্রোর বিশ্বাস, আনচেলত্তির ব্রাজিল দলে রোনালদো-রোনালদিনিও-রোমারিওর মতো তারকা রয়েছে। ফ্রান্সের কাছে হারের পরও তিনি আশাবাদী, শীঘ্রই আক্রমণপংক্তি ছন্দে ফিরবে। ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে আগামী ম্যাচে নতুন আশা।

নেইমারকে বাদ দেওয়ায় ব্রাজিল কোচের সমালোচনা করেছেন রোমারিও ও রোনালদোর মতো কিংবদন্তিরা।