জীবন্ত হৃদয়: মুমিনকে আল্লাহর দেওয়া আধ্যাত্মিক রিজিক
কিছু রিজিক একই সঙ্গে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য, যেমন শারীরিক সুস্থতা। তবে এসব কিছুর ওপরে পরম এক রিজিক রয়েছে, তা হলো ইমান, সুদৃঢ় বিশ্বাস এবং একটি জীবন্ত ও সংবেদনশীল হৃদয়।
কিছু রিজিক একই সঙ্গে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য, যেমন শারীরিক সুস্থতা। তবে এসব কিছুর ওপরে পরম এক রিজিক রয়েছে, তা হলো ইমান, সুদৃঢ় বিশ্বাস এবং একটি জীবন্ত ও সংবেদনশীল হৃদয়।
আল্লাহ পবিত্র। তিনি শুধু পবিত্র জিনিসই কবুল করেন। ইমানের প্রথম বাক্য হলো কালেমা তাইয়্যেবা।
আল্লাহর রিজিকদাতা হওয়ার সবচেয়ে বড় প্রমাণ তার সর্বজনীনতা। তিনি কেবল বিশ্বাসীদের নয়, যারা তাকে অস্বীকার করে তাদেরও জীবনোপকরণ দেন।
ভবিষ্যতে কী হবে, কীভাবে সংসার চলবে—এই ভয় অনেক সময় আমাদের অস্থির করে তোলে। তবে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ–তাআলা রিজিকের ব্যাপারে বারবার অভয় দিয়েছেন
কোরআনের সুরা বাকারার ৫৭ নং আয়াতে আল্লাহ হালাল রিজিক গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। হারাম রিজিক ইবাদতকেও প্রভাবিত করে। আলেমদের মতে হারাম মালের ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা রয়েছে, বিশেষ করে পিতার আয় হারাম হলে সন্তানের করণীয়।
ফজর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়টুকু হলো রিজিক ও বরকত বণ্টনের সময়। এ সময়ে ঘুমিয়ে থাকা অলসতার লক্ষণ এবং এটি মানুষের মেধা ও কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
ইসলাম হালাল উপার্জনের উপর কঠোর জোর দিয়েছে, যা দোয়া কবুল, বিপদ থেকে রক্ষা এবং সন্তানের নেককারিতার মতো বহুমুখী সুফল নিয়ে আসে। হাদিসের আলোকে এর দুনিয়া-পরকালীন উপকারিতা তুলে ধরা হয়েছে। হারাম রিজিক দোয়ার পথ বন্ধ করে দেয়।
সুরা বাকারায় ইব্রাহিম (আ.) মক্কা নগরীর জন্য দোয়া করেছিলেন। সেখানে তিনি মাত্র দুটো জিনিস চেয়েছিলেন—একটি নিরাপদ শহর এবংঅধিবাসীদের জন্য রিজিক।
মহান আল্লাহ–তাআলা মানুষ সৃষ্টি করার আগেই তার রিজিকের ব্যবস্থা করেছেন—এ আলোকে নবজাতকের মাতৃদুগ্ধ পানের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।