বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
এর আগে ২০২০ সালের জুনে রিজার্ভ প্রথমবারের মতো একই উচ্চতায় উঠেছিল, যা ২০২১ সালের আগস্টে ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে।
এর আগে ২০২০ সালের জুনে রিজার্ভ প্রথমবারের মতো একই উচ্চতায় উঠেছিল, যা ২০২১ সালের আগস্টে ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে।
২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়।
রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (আরবিআই) তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ এপ্রিল শেষ হওয়া সপ্তাহে ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৬৯৮ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে।
আকু বিল পরিশোধের ফলে হ্রাস পেয়েছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছেন।
রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ৯৬তম বারের মতো পিছিয়েছে।
এডিবির ১০০ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বাজেট সহায়তা ঋণ পাওয়ায় মোট রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫৬২ কোটি ডলারে। অন্যদিকে বিপিএম ৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১০৭ কোটি ডলারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৯৪তমবার পেছিয়ে যায়। আজ নির্ধারিত তারিখেও সিআইডি প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। আদালত ১৮ মে পরবর্তী তারিখ ঘোষণা করেছে।
এবার জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি সময়ের জন্য আমদানি বিল পরিশোধ করা হয়েছে ১৩৬ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। এতে বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ কমে হয়েছে ৩৪ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার।
এদিকে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কিনে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার।
যুদ্ধ মানেই শুধু সীমান্তে গোলাগুলি, ক্ষেপণাস্ত্র বা কূটনৈতিক উত্তেজনার খবর নয়। যুদ্ধের অর্থ আরও বিস্তৃত।
মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার তারিখ ধার্য ছিল আজ। কিন্তু মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত প্রতিবেদন আজ আদালতে দাখিল করতে পারেনি।
আমরা কোনো শর্ত ছাড়াই ইতিমধ্যে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার কিনেছি, যা আইএমএফের সহায়তার চেয়েও বেশি। এর ফলে বাজারে ৪৫ বিলিয়ন টাকা ঢুকেছে।’