ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নিন্দা ও প্রতিবাদ
ইরানে ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।
ইরানে ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।
‘একটি দল কেন সব চেয়ার দখলে রাখল’
নেতানিয়াহু একাই এই যুদ্ধ শুরু করেছিলেন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এর মধ্যে টেনে এনেছিলেন।
হামলা জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বাস্তবসম্মত নিরাপত্তাব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে একটি পারস্পরিক ‘অনাক্রমণ চুক্তি’ দরকার—যাতে রাজনৈতিক আদর্শের সংঘাত সহিংসতায় রূপ না নেয়।
সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব যে রাজনৈতিক বিজয়ের নিশ্চয়তা দেয় না, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ তা স্পষ্ট করে দিয়েছে। এ যুগে যুদ্ধ হয়ে উঠেছে আরও জটিল।
এর আগে সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নারী খেলোয়াড়দের রাজনৈতিক আশ্রয় না দেওয়ায় অস্ট্রেলিয়া সরকারের সমালোচনা করেছিলেন।
ইসলামি প্রজাতন্ত্রের জন্য অগ্রাধিকার সামরিক ও রাজনৈতিক সংহতি বজায় রেখে আঘাত সহ্য করা এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া।
‘বাংলাদেশের নতুন সরকার কাজে নেমে পড়েছে’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ কথা বলেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ (আইসিজি)।
তবে তখনই বিশ্লেষকেরা বলেছিলেন, ট্রাম্পের এই বক্তব্য রাজনৈতিক। এই যুদ্ধ ‘এক দিনে’ বন্ধ করা অসম্ভব।
মাগুরার শ্রীপুর সরকারি কলেজের সামনে পোস্টার লাগানো নিয়ে ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ধাওয়া খেয়ে শিবিরের নেতাকর্মীরা থানায় আশ্রয় নেন, পরে রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।