
মদিনা মুনাওয়ারার ফজিলত ও আমল
‘মদিনা মুনাওয়ারা’ হলো প্রিয় নবীজি (সা.)-এর প্রিয় শহর; শান্তির নগর। মদিনার পূর্ব নাম ইয়াসরিব। নবীজি (সা.)-এর হিজরতের পর এই স্থানের নাম হয় মদিনাতুন্নবী বা নবীর শহর।

‘মদিনা মুনাওয়ারা’ হলো প্রিয় নবীজি (সা.)-এর প্রিয় শহর; শান্তির নগর। মদিনার পূর্ব নাম ইয়াসরিব। নবীজি (সা.)-এর হিজরতের পর এই স্থানের নাম হয় মদিনাতুন্নবী বা নবীর শহর।

হজ পালনের উদ্দেশ্যে মদিনায় যান লেখক। বিমানে মাগরিবের সময় হলে তায়াম্মুম করে নামাজ পড়েন। মদিনায় পৌঁছে মাসজিদে নববিতে নামাজ পড়েন এবং রিয়াজুল জান্নাতে যাওয়ার সুযোগ পান।

কোরআন ও হাদিস থেকে মক্কা ও মদিনার এমন কিছু নির্দিষ্ট স্থান ও মুহূর্তের কথা জানা যায়, যেখানে দোয়া কবুল হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।

মক্কা ও মদিনার ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানের তালিকা। হজযাত্রীরা এসব ঐতিহাসিক স্থানে জিয়ারত করেন। ইসলামের ইতিহাসে এসব স্থানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

উম্মে সালামা (রা.) কেবল ধর্মীয় বিধানের সমাধানই দিতেন না, সাহাবিরা কোরআনের সঠিক তেলাওয়াতও তাঁর কাছ থেকে শিখতেন। বিভিন্ন মতবিরোধ মীমাংসায় তাঁর প্রজ্ঞাময় ফতোয়া সাহাবিদের নির্ভরযোগ্য পথনির্দেশক ছিল। হাদিসগুলোতে তাঁর ফকিহা ও শিক্ষকতার চমৎকার দৃষ্টান্ত সংরক্ষিত রয়েছে।

স্বাধীনতা ধরে রাখার জন্য তিনি অত্যন্ত নিপুণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলেন। কেবল আক্রান্ত হওয়ার অপেক্ষায় থাকতেন না, বরং শত্রুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য নিয়মিত দল পাঠাতেন।

হিজরির দ্বিতীয় বছরে রমজানের রোজা ফরজ করা হয়। সেই বছর ১৭ রমজান বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। নবীজি (সা.) রমজানের শেষ দশকে নিয়মিত ইতিকাফ করতেন।

‘মাধ্যমিকে পড়ার সুযোগ পাব ভাবতেই পারিনি!’ কথাটি বলে মদিনা কিছুক্ষণ নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকে। কী হয়েছিল জিজ্ঞেস করলে তার জীবনের গল্প বলতে শুরু করে সে।

কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, দুই পবিত্র মসজিদে প্রতি রাতে তারাবির নামাজ ১০ রাকাত এবং এরপর ৩ রাকাত বিতর নামাজ পড়ানো হবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রমজান মাসে মসজিদে নববিতে মুসুল্লিদের ইবাদতের অভিজ্ঞতা আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে প্রতি বছরের মতো এবারও এই বিশাল স্বেচ্ছাসেবী কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

কয়েকটা দিন ভালোই ছিলাম, জানতে চাইনি পৃথিবী কেমন চলছে। দেশ আর বিশ্বের রাজনৈতিক পটভূমি কিছুই মনে আসেনি। কাবা শরিফে কয়েকজন আরব ডেকে ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘কোথা থেকে এসেছেন?’ উত্তর দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করলাম, ‘তোমরা?’ উত্তর, ‘ইরান।’ অজান্তেই বলেছিলাম, ‘তোমরা সাহসী, তোমাদের সাহস সুপারসনিক মিসাইলগুলোর মতো চমৎকার।’ ওরা খুশি হয়েছিল কি না বোঝা যায়নি।

খাওয়ার সময় এক যুবক সালাম দিয়ে ইংরেজিতে জানাল, ইয়েমেন থেকে মাসহ ওমরাহয় এসেছে। তাদের সব চুরি হয়েছে। দেশে ফিরে যেতে পারছে না। একটা চিকেন খেতে দিয়ে অর্থিক সাহায্যে অপারগতা প্রকাশ করলাম। তৎক্ষণাৎ সে চলে গেল। পরে জানলাম, একশ্রেণির মানুষের এটা ব্যবসা। মন খারাপ হলো।