
তিন বছরে সূর্যমুখীর উৎপাদন বেড়ে দ্বিগুণ
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশে সূর্যমুখী উৎপাদিত হয় ১৫ হাজার মেট্রিক টন, যা ২০২৩–২৪ অর্থবছরে বেড়ে ২৭ হাজার টন ছাড়িয়ে যায়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশে সূর্যমুখী উৎপাদিত হয় ১৫ হাজার মেট্রিক টন, যা ২০২৩–২৪ অর্থবছরে বেড়ে ২৭ হাজার টন ছাড়িয়ে যায়।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, গত কয়েক দিন বৃষ্টির কারণে সবজির স্বাভাবিক সরবরাহে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে। এ ছাড়া জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। সব মিলিয়ে সবজির দামে তার প্রভাব পড়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ১৯৫ টাকা থেকে ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৭৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৭৯ টাকা করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ১ কোটি ৩০ লাখ ৩২ হাজার লিটার পরিশোধিত পাম অলিন কেনার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।

সাতক্ষীরার দেবহাটায় ‘লাকী স্টোর’ নামক মুদিদোকানে ৩৪০০ লিটার ভোজ্যতেল মজুত করা হয়েছিল। র্যাবের অভিযানে তেল উদ্ধারের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতে মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, ভোজ্যতেলের দাম আপাতত বাড়ছে না। সরকার শুল্কছাড়ের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের টিকিয়ে রাখার চিন্তা করছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও এনবিআর-এর সঙ্গে আলোচনা চলবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির রোববার ভোজ্যতেল কারখানার মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ভোজ্যতেলের দাম আপাতত বাড়বে না, ব্যবসায়ীদের শুল্কছাড় দেওয়ার চিন্তা হচ্ছে। দু-এক দিনের মধ্যে কার্যকর সিদ্ধান্ত হবে।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিজিবি ও র্যাবের যৌথ অভিযানে প্রায় ২ হাজার লিটার খোলা সয়াবিন তেল জব্দ। খোলাবাজার থেকে তেল কিনে ‘বন্ধন প্লাস’ ও ‘বিসমিল্লাহ’ লেবেল লাগিয়ে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বছরের তিন মাসে বিজিবি প্রায় ৫ হাজার ৪২৫ লিটার ভোজ্যতেল জব্দ করেছে।

দেশের বাজারে প্রায় দুই মাস ধরে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ সংকট চলছে। এমআরপি-এর চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ ক্যাবের। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে তারা ছয় দফা দাবি তুলে ধরে।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে। কোথাও কোথাও খুচরা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা হতে পারে।

ঢাকার কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট ও চন্দ্রিমা কাঁচাবাজারের বিক্রেতারা জানান, গত সোমবার দিবাগত রাত থেকে বাজারে সয়াবিন তেলের সরবরাহ আগের চেয়ে বাড়িয়েছে বিপণনকারী কোম্পানিগুলো।

বাজারে বর্তমানে ১ লাখ ৭০ হাজার টন ভোজ্যতেলের মজুত রয়েছে। আর পাইপলাইনে আছে ৩ লাখ ৬০ হাজার টন। এ ছাড়া ঋণপত্র (এলসি) খোলার কাজও চলমান।