
সূর্যবংশীর নতুন বিশ্ব রেকর্ড, ফিফটি ১১ বলেই
আজ ডাম্বুলায় ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ভারত ‘এ’ দলের হয়ে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে এই রেকর্ড গড়েছেন সূর্যবংশী।

আজ ডাম্বুলায় ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ভারত ‘এ’ দলের হয়ে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে এই রেকর্ড গড়েছেন সূর্যবংশী।

শুধু টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় উন্নতি নয়, বলতে পারেন টেস্টে নবজাগরণ ঘটেছে বাংলাদেশের।

ভারতের সাবেক ক্রিকেটার সলিল আঙ্কোলা তীব্র বিষণ্নতায় ভুগছেন বলে পুনের পুনর্বাসনকেন্দ্রে ভর্তি। ২০২৪ সালের অক্টোবরে মায়ের মৃত্যুর পর তাঁর মানসিক অবস্থা খারাপ হয়। পরিবারের সমর্থনে তিনি সুস্থতার পথে এগোচ্ছেন।

পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে ২০২৬ সালের আইসিসি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দল।

সৌরভের কল্যাণে দুই-একটা বাংলা শব্দ শিখেছেন। তাই বলে বাংলায় একটা আস্ত বই পড়ে ফেলতে পারার প্রশ্নই ওঠে না। আমার বই পড়ার জন্য অনুবাদক ভাড়া করেছেন বা করবেন বলেও মনে হয় না। এমন কিছু হয়েছে শুনলে আমি নিজেই অজ্ঞান হয়ে যাব। যতটা না আনন্দে, তার চেয়ে বেশি বিস্ময়ে। আমরা তাই ধরে নিতে পারি, আমার লেখা 'শচীন রূপকথা' বইটি শচীন টেন্ডুলকার পড়েননি। তবে না পড়লেও বইটা যে শচীন টেন্ডুলকারের কাছে আছে, এটা আমি...

অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে কবে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তা স্পষ্ট না করলেও ভারতের ঘটনাটি ২০২৩ সালের বলে জানিয়েছেন রশিদ।

এর আগে ভারত, পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশে জন্মগ্রহণ করা খেলোয়াড়েরা আমিরাতে নির্দিষ্ট সময় বসবাসের শর্তপূরণ করে দেশটির হয়ে খেলতেন।

ভারতের বিজেপি নেতা অমিত শাহের বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে সাপ-কুমির ছাড়ার প্রস্তাব নিয়ে উত্তেজনা। তথাকথিত অনুপ্রবেশকারীদের ‘উইপোকা’ বলে চিহ্নিত করে এ ভাষা ঐতিহাসিক অমানবিকীকরণের সঙ্গে তুলনীয়। এর পেছনে চার্চিলের মতো ঔপনিবেশিক মানসিকতার ছায়া দেখা যাচ্ছে।

১৯৭৯ সালের পর ১০ বার টেস্ট খেলতে ভারতে গেছে অস্ট্রেলিয়া। এর পাঁচটি ছিল সর্বোচ্চ চার ম্যাচের সিরিজ। পাঁচটি সিরিজই এই শতকে।

শুধু ভারতেই বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দেখেছেন ৭২.৫ মিলিয়ন (৭ কোটি ২৫ লাখ) মানুষ, যা আগে কখনো হয়নি।

রাজনৈতিক বৈরিতাকে মাঠে টেনে আনার এই অপসংস্কৃতিও হয়তো শেষ হবে একদিন। ভবিষ্যতে কোনো এক ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে টসের সময় দুই অধিনায়ক হাত মেলাবেন।

সর্বশেষ চুক্তিতে ‘এ+’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়েরা পেতেন বার্ষিক সাত কোটি রুপি, ‘এ’ ক্যাটাগরি পাঁচ কোটি রুপি। ক্যাটাগরিতে পরিবর্তনের কারণে বুমরার বেতন কমে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।