
আরব দেশগুলো এখন ইরান নাকি ইসরায়েল—কাকে বেছে নেবে
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বিপজ্জনক ধারণা হচ্ছে, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরান অথবা ইসরায়েলের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হবে। রাজনৈতিকভাবে অতীব সরল এ ধারণা কৌশলগত দিক থেকে বিভ্রান্তিকর।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বিপজ্জনক ধারণা হচ্ছে, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরান অথবা ইসরায়েলের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হবে। রাজনৈতিকভাবে অতীব সরল এ ধারণা কৌশলগত দিক থেকে বিভ্রান্তিকর।

ইউরোপের সামনে এখন অস্তিত্বের প্রশ্ন। প্রায় ৫০ কোটি মানুষ এমন এক বিশ্বরাজনীতির মধ্যে বাস করছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিযোগিতা ক্রমেই প্রভাব বিস্তার করছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীন প্রযুক্তি প্রতিযোগিতায় দ্রুত এগিয়ে চলেছে, যা বিশ্ব রাজনীতির গতিবিধি বদলে দিতে পারে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এ বছরের শুরুতে বলেছিলেন, বিশ্ব এখন ‘একটি রূপান্তরের মধ্যে নয়, বরং একধরনের ভাঙনের মধ্যে রয়েছে।

হরমুজ প্রণালীতে চলমান অবরোধ বিশ্ব অর্থনীতিকে এক গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এলএনজি এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় এর অচলাবস্থা সরাসরি জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। তেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইনে ব্যাঘাত বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে তুলছে। এর পাশাপাশি আধুনিক যুদ্ধ কৌশলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ড্রোন প্রযুক্তি এবং অ্যালগরিদম-নির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এই সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধু সামরিক সংঘাত নয়, বরং অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত আধিপত্যের লড়াই। হরমুজ সংকট দীর্ঘায়িত হলে খাদ্য নিরাপত্তা, শিল্প উৎপাদন এবং বৈশ্বিক বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। ফলে এই সংকটের দ্রুত সমাধান এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্যতম গভীর অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে কিউবা। এই সংকট মোকাবিলায় দেশটি এখন প্রবাসী ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের দিকে ঝুঁকছে।

৫০ বছর আগে বিশ্ব ছিল দুই শিবিরে বিভক্ত—যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন পুঁজিবাদী ব্লক এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন নেতৃত্বাধীন সমাজতান্ত্রিক ব্লক। ঠান্ডা যুদ্ধ, স্নায়ুযুদ্ধ, পারমাণবিক প্রতিযোগিতা—এসব ছিল স্বাভাবিক শব্দ। এই দুই শক্তির মাঝখানে ছিল দরিদ্র দেশগুলো, যাদের বলা হতো তৃতীয় বিশ্ব। তারা শক্তিহীন হলেও তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ছিল; কারণ, তারা কোনো পক্ষের সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না।

ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু সরকারের অনেকেই ইতিমধ্যে বলে ফেলেছেন, ওল্ড টেস্টামেন্টে ‘আর্মাগেডন’ বা ‘চূড়ান্ত যুদ্ধের’ প্রেক্ষাপট ইরান যুদ্ধের মধ্য দিয়েই সূচিত হতে যাচ্ছে।

ইরাক থেকে লিবিয়া, ভেনেজুয়েলা থেকে ইউক্রেন এবং এখন ইরানের উদাহরণ থেকে একটি সত্য ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে একবিংশ শতাব্দীতে সার্বভৌমত্ব আর নিঃশর্ত নয়। ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সার্বভৌমত্বের সীমা এবং ছোট রাষ্ট্রগুলোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে লিখেছেন গোলাম রসুল

এপস্টেইন নথির প্রকাশকে আদালতের ফলাফল দিয়ে বিচার করলে আমরা ভুল বুঝব। এটা মূলত ক্ষমতার প্রতি আস্থার সংকটের প্রতিফলন।

ভারত আর চীনের মতো প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো নিজেদের নিরাপত্তা আর স্বার্থরক্ষার নামে আরও বেশি আগ্রাসী হবে না, এই নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে না। নতুন বিশ্বব্যবস্থায় বাংলাদেশের ঝুঁকি নিয়ে লিখেছেন আসিফ বিন আলী

ফ্যাসিবাদী আমলের পুরোনো মিথ্যা ও প্রতারণামূলক ‘দুর্নীতির বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন’ বয়ান নতুন করে প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।