বিদ্যুৎ–সংকটে জেনারেটর–নির্ভর মোবাইল নেটওয়ার্ক, দিনে জ্বালানির চাহিদা এক লাখ লিটার
লোডশেডিংয়ে মোবাইল নেটওয়ার্ক জ্বালানিনির্ভর, দৈনিক চাহিদা এক লাখ লিটার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
লোডশেডিংয়ে মোবাইল নেটওয়ার্ক জ্বালানিনির্ভর, দৈনিক চাহিদা এক লাখ লিটার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলছেন, বিদ্যুৎ বিল–সংক্রান্ত অধিকাংশ অভিযোগ ভুল–বোঝাবুঝি থেকে, যা সমাধান করা হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ না পেয়ে জেলা শহরের দাতিয়ারায় বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের অভিযোগকেন্দ্রে ভাঙচুর করেছেন গ্রাহকেরা।
গতকাল বুধবার বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৭৬৭ মেগাওয়াট। সরবরাহ ছিল ১৩ হাজার ৬৮১ মেগাওয়াট।
ঈদের ছুটিতে বিদ্যুতের চাহিদা কমলেও ঝড়বৃষ্টির কারণে গ্রাম এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট হতে পারে।
জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ না পাওয়ায় চট্টগ্রামে লোডশেডিং করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কর্মকর্তারা। এখন দিনে গড়ে আড়াই থেকে তিন শ মেগাওয়াট পর্যন্ত ঘাটতি রয়েছে। বিদ্যুতের পরিস্থিতি কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে, তা বলতে পারছেন না কর্মকর্তারা।
গরম বাড়ছে, তার সঙ্গে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা। চাহিদামতো সরবরাহে হিমশিম খাচ্ছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। এর মধ্যে ভারতীয় কোম্পানি আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি কারণে বন্ধ হয়ে গেছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) সেবা সম্প্রসারণের ফলে মেটার ডেটা সেন্টারে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে।
মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, দেশে এখন চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুতের ঘাটতি নেই।
তীব্র গরমে এসির চাহিদা বাড়লেও বিদ্যুৎ বিল ও পরিবেশের ক্ষতি চিন্তার। ইনভার্টার এসি এসব সমস্যার সমাধান দিয়ে সাশ্রয়, স্থায়িত্ব ও আর-৩২ গ্যাসের সুবিধা নিয়ে জনপ্রিয়। বিদ্যুৎ সাশ্রয় ৬০% পর্যন্ত সম্ভব এবং কার্বন নিঃসরণ কমায়।
বিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শীতের শেষে ফেব্রুয়ারিতেই বিদ্যুতের চাহিদা ১২ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। গ্রীষ্মে চাহিদা সাড়ে ১৮ হাজার মেগাওয়াট ছাড়াতে পারে।
তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। জ্বালানির অভাবে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। কারিগরি কারণে আদানির একটি ইউনিট বন্ধ।