
ভিনগ্রহে রহস্যময় বায়ুমণ্ডলের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা
বিজ্ঞানীদের নতুন এক গবেষণায় বেশ কিছু গ্রহে রহস্যময় বায়ুমণ্ডলের সন্ধান পাওয়া গেছে, যা মহাকাশ গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

বিজ্ঞানীদের নতুন এক গবেষণায় বেশ কিছু গ্রহে রহস্যময় বায়ুমণ্ডলের সন্ধান পাওয়া গেছে, যা মহাকাশ গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

নেপচুনের কক্ষপথের বাইরে ৫০০ কিলোমিটার ব্যাসের ২০০২ এক্সভি৯৩ গ্রহাণুতে অত্যন্ত পাতলা বায়ুমণ্ডলের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। নক্ষত্রিক গ্রহণের মাধ্যমে এই আবিষ্কার করা হয়েছে, যা সৌরজগতের প্রান্তীয় জগত সম্পর্কে নতুন জ্ঞান যোগ করছে। বিজ্ঞানীরা এর পুনরুদ্ধারের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ধূমকেতু সংঘর্ষ বা আগ্নেয়গিরি উল্লেখ করেছেন।

যুদ্ধের সময় পৃথিবীর নাজুক বায়ুমণ্ডলের ভারসাম্যে অদৃশ্য ক্ষত তৈরি হয়।

এটি কোনো পরীক্ষার নম্বর নয়, কোনো স্মরণীয় সালও নয়। এটি ২০২৬ সালের মে মাসে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের আনুমানিক ঘনত্ব ‘পিপিএম’ বা ‘পার্টস পার মিলিয়ন’।

অগ্ন্যুৎপাতের সময় বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে সালফার ডাই-অক্সাইড গ্যাস এবং ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ধূলিকণা নির্গত হয়।

আর্টেমিস–২ অভিযানের চার নভোচারী শনিবার সকালে প্রশান্ত মহাসাগরে নিরাপদে অবতরণ করেছেন। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সময় মহাকাশযানের গতি ছিল ঘণ্টায় ৪০ হাজার কিলোমিটার এবং তাপমাত্রা ২৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি গত পাঁচ দশকের পর প্রথম চাঁদপরিক্রমণ অভিযান।

নতুন গবেষণায় বলা হয়েছে, মঙ্গলের খনিজ থেকে অ্যারোসল কণা তৈরি করে ১৫ বছরে গ্রহটির তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি বাড়ানো যাবে। এটি তরল পানি ও মানব বসতির প্রথম ধাপ। কৃত্রিম চৌম্বকীয় ঢাল বায়ুমণ্ডল রক্ষা করবে।

স্যাটেলাইট যখন বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরে পুড়ে যায়, তখন সেগুলো ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ধাতব কণায় পরিণত হয়।

বিশ্বজুড়ে অপরিচিত অ্যাটমোস্ফিয়ারিক রিভার বা বায়ুমণ্ডলীয় নদীর বিস্তার ও আর্দ্রতা উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে।

দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বায়ুদূষণে বিশ্বের নগরীগুলোর মধ্যে প্রথম দিকে থাকছে ঢাকা। আজও এর ব্যতিক্রম হয়নি।

একটি সাধারণ প্রশ্ন প্রায়ই উত্থাপিত হয়—সাত আসমান বলতে আসলে কী বোঝানো হয়েছে? এগুলো কি আমাদের বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তর, নাকি এর বিস্তার দৃশ্যমান মহাবিশ্বেরও বাইরে?

শহরের বাতাসে মাইক্রোপ্লাস্টিক বেড়ে যাওয়ায় মানুষের ফুসফুসে বাড়ছে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি।