
টোকিওতে বাংলাদেশ-জাপান বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধি–সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গতকাল বুধবার টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গতকাল বুধবার টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপানি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে ‘বানৌজা নির্ভীক’-এ বোটগুলোর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে নৌবাহিনীর সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি জাপানের রাজধানী টোকিওতে দেশটির সঙ্গে এই চুক্তি সই করবে বাংলাদেশ।

অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে করা বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত চুক্তির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিতে কাজ করবে জাপান।

ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট লোন ফর এনহ্যান্সিং ইকোনমিক রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড স্টেবল এনার্জি সাপ্লাই’ শীর্ষক এ ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে টোকিও সফরের আমন্ত্রণ জানাতে চায় জাপান।

৯ মে শফিকুর রহমানের ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

সাক্ষাৎকালে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, এমআরটি লাইনসমূহ, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালসহ জাইকার অর্থায়নে বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।

সাধারণ জাপানি ঋণের সুদহার বেড়ে ৩.৬ শতাংশে উঠেছে। নতুন সুদের হার কার্যকর হয়েছে ১ এপ্রিল থেকে।

ভয়ে চোখমুখ কুঁচকে বসে থাকা দর্শকদের দেখে জাপানি সাবটাইটেলের অভাব একদমই টের পাওয়া যায়নি।

বাণিজ্য উপদেষ্টা আজ সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছেন, ইপিএর কারণে শুধু বাণিজ্য সুবিধাই বাড়বে না, জাপানের বিনিয়োগও বাড়বে বাংলাদেশে। এ ছাড়া তৈরি হবে কর্মসংস্থানের সুযোগ।

জাপান–মালয়েশিয়া হতে পারে বাংলাদেশের আমের নতুন বাজার