
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা নতুন দেশে গেলে কি বাংলাদেশি কমিউনিটিতেই থাকা উচিত
নতুন দেশে গেলে আমরা স্বাভাবিকভাবেই পরিচিত মানুষ, খাবার, পরিবেশ খুঁজি। এটা আমাদের ‘কমফোর্ট জোন’। কিন্তু একটা জিনিস জরুরি—‘কমফোর্ট’ আর ‘সেফটি’ এক নয়।

নতুন দেশে গেলে আমরা স্বাভাবিকভাবেই পরিচিত মানুষ, খাবার, পরিবেশ খুঁজি। এটা আমাদের ‘কমফোর্ট জোন’। কিন্তু একটা জিনিস জরুরি—‘কমফোর্ট’ আর ‘সেফটি’ এক নয়।

নিউ জার্সিতে বসবাসকারী বাংলাদেশি কমিউনিটি Axiom REACH Foundation-এর Children’s Cancer Fund–এর মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্যানসার রোগী দরিদ্র শিশুদের চিকিৎসা সহায়তা দিচ্ছে। গত দুই বছরে ৭০-এর বেশি শিশু সাহায্য পেয়েছে। এই উদ্যোগে রমজানে জাকাত দানের মাধ্যমে সহায়তা বাড়ছে।

পোল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির উদ্যোগে রাজধানী ওয়ারশ শহরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বসন্ত বরণ ও ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ার বালারাতে বাংলাদেশি কমিউনিটির উদ্যোগে ৬ জুন ব্রাউন হিল কমিউনিটি হলে প্রাণবন্ত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ১৩০ জন অংশ নেন।

জাপানের ওসাকায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রথমবারের মতো বৃহৎ বৈশাখী মেলায় নববর্ষ উদযাপন করেছে। সেনরি মিনামি পার্কে গান-নাচ, পান্তা-ইলিশ ও বিরিয়ানিতে উৎসব হয়। কানসাই বৈশাখী মেলা কমিটির আয়োজনে শিশু-বৃদ্ধ সবাই অংশ নিয়েছে।

যুক্তরাজ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলছে, বিশেষ করে পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস ও নিউহামে বাংলাদেশি কমিউনিটির ব্যাপক আগ্রহ। মেয়র পদে লুৎফুর রহমান ও ফরহাদ হোসেনের মতো বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থীরা প্রধান আলোচনায়। চার বরোতে তিন শতাধিক বাংলাদেশি প্রার্থী কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

পূর্ব লন্ডনের নির্বাচনে জয়ী হতে পারেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই মেয়র প্রার্থী।

লস অ্যাঞ্জেলেসে আবু হানিফ জুয়েলের সানারিস টিউটোরিয়াল সেন্টারে প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী পড়েছে, যাদের ৬০% বাংলাদেশি। শুধু শিক্ষকতা করে তিনি মাসে আয় করেন ১০-১৫ হাজার ডলার। বাংলাদেশি কমিউনিটিতে তাঁর অবদানের স্বীকৃতি পেয়েছেন বিভিন্ন পুরস্কার।

উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলার প্রবাসীদের সমন্বয়ে জাপানে গড়ে উঠেছে ‘উত্তরবঙ্গ কমিউনিটি, জাপান’। ফেব্রুয়ারিতে টোকিওতে সূচনা সভায় পরিচালনা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। জাপানে বাংলাদেশি প্রবাসী সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।

ম্যানিটোবার বাংলাদেশি কমিউনিটি কানাডায় বসন্তের আগমন এবং ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের সঙ্গে মিলিয়ে ২৯ মার্চ একটি বর্ণিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। স্থানীয় রাজনীতিবিদরা শুভেচ্ছা জানান এবং কমিউনিটির প্রশংসা করেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান, নৃত্য ও কবিতায় সবাই মুগ্ধ হয়।

প্রবাসে থেকেও দেশীয় সংস্কৃতি ধরে রাখতে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে এসব মেলা এখন বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন হয়ে উঠেছে।

অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসীদের অর্থনৈতিক অবস্থান বিশ্লেষণ করলে শুধু জাতীয়তা নয়; বরং কোন ভিসা শ্রেণিতে তাঁরা এসেছেন—এই বিষয়টি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।