
বদর যুদ্ধের নেপথ্যে: রহস্যময় কিছু স্বপ্ন ও তার ব্যাখ্যা
বদর যুদ্ধের অন্যতম একটি বিস্ময়কর ও অলৌকিক দিক ছিল স্বপ্ন। যুদ্ধ শুরুর পূর্বমুহূর্তে এবং যুদ্ধ চলাকালীন মুসলিম ও মুশরিক উভয় শিবিরে বেশ কিছু তাৎপর্যপূর্ণ স্বপ্ন দেখা গিয়েছিল।

বদর যুদ্ধের অন্যতম একটি বিস্ময়কর ও অলৌকিক দিক ছিল স্বপ্ন। যুদ্ধ শুরুর পূর্বমুহূর্তে এবং যুদ্ধ চলাকালীন মুসলিম ও মুশরিক উভয় শিবিরে বেশ কিছু তাৎপর্যপূর্ণ স্বপ্ন দেখা গিয়েছিল।

রণক্ষেত্রের উঁচু টিলার ওপর নবীজির জন্য একটি শামিয়ানা স্থাপন করা হয়েছিল, যেখান থেকে পুরো মাঠ দেখা যেত। এর ভেতরে আবু বকর (রা.) রাসুলের সঙ্গে ছিলেন।

জ্বালানি বাজার থেকে শুরু করে অভিবাসনপথ, ন্যাটো জোট থেকে জনতুষ্টিবাদী রাজনীতির উত্থান পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে এর ঢেউ ইতিমধ্যেই ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে।

তাঁর ৫০ বছরের শাসনামলে কর্ডোভা হয়ে ওঠে বিশ্বের জ্ঞান ও কূটনীতির প্রাণকেন্দ্র। তাঁর নির্মিত ‘মদিনাতুজ জাহরা’ প্রাসাদটি তৎকালীন বিশ্বের বিস্ময় হিসেবে পরিচিত ছিল।

প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা থেকে হিজরত করে মদিনায় আসার পর দ্বিতীয় হিজরিতে কুরাইশরা মদিনা আক্রমণ করলে বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

ইসলামের বড় বড় সাফল্য রমজান মাসেই অর্জিত হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো হিজরতের দ্বিতীয় বছর ১৭ রমজান ঐতিহাসিক বদরের যুদ্ধ বিজয়।

১৭ রমজানকে বলা হয় ‘ইয়াওমুল ফুরকান’ বা সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী দিন। এই দিনে বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং ইসলামের প্রথম কৌশলগত বিজয় অর্জন হয়।