মনোযোগের অর্থনীতি: কেন বই থেকে দূরে সরে যাচ্ছে তরুণেরা
একসময় বই ছিল জ্ঞান অর্জনের প্রধান মাধ্যম। আজ বইয়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমেছে একটি অদৃশ্য কিন্তু শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা—মনোযোগের অর্থনীতি।
একসময় বই ছিল জ্ঞান অর্জনের প্রধান মাধ্যম। আজ বইয়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমেছে একটি অদৃশ্য কিন্তু শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা—মনোযোগের অর্থনীতি।
উনি তখন ২০০ বছরের পুরোনো সেই বিশাল কারাগারের একমাত্র রাজনৈতিক বন্দী।
বাড়ির সংস্কারকাজের সময় দেয়ালের ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া একটি বই প্রায় ১৫০ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার এক পাবলিক লাইব্রেরিতে ফেরত দেওয়া হয়েছে। বিলম্ব ফি হিসেবে বইটির জরিমানা দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৫০০ ডলার বা প্রায় ২৪ লাখ টাকা।
কাতারের আওকাফ মন্ত্রণালয় থেকে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে, যা ইতোমধ্যে হয়ে উঠেছে সিরাত সাহিত্যের অনিবার্য পাঠ। বিশুদ্ধ বর্ণনার বাইরে এতে কিছুই স্থান দেওয়া হয় নি।
বইটিতে বয়স ধরে ধরে সাজানোর ব্যাপারটাও চমৎকার। পাঠক নিজের বর্তমান বয়সে দাঁড়িয়ে দেখতে পারেন, ঠিক এই বয়সে নবীজি কী ধরনের অবস্থার মুখোমুখি হয়েছিলেন।
ইতিহাসের সাপেক্ষে পড়লে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন ওঠে: মীর মশাররফ হোসেন কি ইতিহাস লিখেছিলেন, নাকি ইতিহাসের পটভূমিতে দাঁড়িয়ে একটি সাহিত্যিক কল্পনা গড়ে তুলেছিলেন?
তারিখে বুখারার রচয়িতা আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল-বুখারি (৩৩৭-৪১২ হি./৯৪৮-১০২৮ খ্রি.) ‘গুনজার’ নামেই বেশি পরিচিত। মূল গ্রন্থটির প্রাচীন পাণ্ডুলিপি এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি; তবে পরবর্তী আলেমদের উদ্ধৃতিতে বইটির গুরুত্ব ও বিন্যাসের নানা দিক ধরা পড়ে।
ইমাম ইবনে রজব তাঁর কিতাবটি শেষ করেছেন তওবার আলোচনার মাধ্যমে। তিনি একে অভিহিত করেছেন ‘জীবনের সব সময়ের আমল’ হিসেবে। মানুষ তওবার মাধ্যমে আমলনামা পরিচ্ছন্ন করে।
ওসমানিয়া শাসকরা মূলত সুলতান হিসেবে পরিচিত ছিলেন। যদিও পরবর্তীকালে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মুসলমানরা অনেকেই তাঁদেরকে খলিফা ও ওসমানিয়া সাম্রাজ্যকে ওসমানিয়া খিলাফত হিসেবে অভিহিত করেছেন।
জুওয়াইনি এমন এক রাজনৈতিক দর্শনের অবতারণা করলেন, যা ভবিষ্যতের সম্ভাব্য বিপর্যয় বা ‘রাষ্ট্রহীন অবস্থা’ কল্পনা করে তার আইনি কাঠামো তৈরি করে রাখে।
২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে চারটি নতুন বই। খেলাধুলা, বাংলাদেশের সংস্কৃতি, আমার কারিগরি শিক্ষা এবং আনন্দময় শিখনসহ বিষয়ভিত্তিক কাঠামো খসড়া করেছে এনসিটিবি; দু-তিন দিনের মধ্যে কাঠামো চূড়ান্তের কথা রয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বছরে গড়ে মাত্র দুই-তিনটি বই প্রকাশিত হয়েছে।