
ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড কারা পাবেন, কী কী তথ্য দিতে হবে
নতুন এই ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ডের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সারদের পরিচয় সহজে যাচাই করা যাবে।

নতুন এই ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ডের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সারদের পরিচয় সহজে যাচাই করা যাবে।

বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ব্যাংকিং খাত ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সাজিয়েছে নানা রকম বিশেষায়িত সেবা।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছেন।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত প্ল্যাটফর্মটিতে নিবন্ধন করে ফ্রিল্যান্সাররা বিনা মূল্যে আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।

মোবাইল ফোন সেবাদাতাদের বৈশ্বিক সংগঠন জিএসএমএর এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান জুলিয়ান গোরম্যান গত ১৪ ও ১৫ জুন বাংলাদেশ সফর করেন।

সরকারি ওয়েবসাইটে ২১ উপজেলার উদ্ভট নাম

একটা সময় ছিল যখন সমাজ, ব্যাংক, এমনকি পরিবারের কাছেও ফ্রিল্যান্সিং মানে ছিল ‘ছেলেটা বা মেয়েটা রাতে জেগে কী যেন করে!’ অর্থাৎ, তাদের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় ছিল না। এই ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড আমাদের তরুণদের বিনিদ্র রজনীর অফিশিয়াল বা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। এই কার্ড একজন ফ্রিল্যান্সারের সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ‘আইডেন্টিটি ক্রাইসিস’ বা পরিচয়সংকট দূর করবে।

ফ্রিল্যান্সার পূর্বা চিরানের বাড়ি বান্দরবানের রুমা উপজেলায়।

২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে বিশ্বব্যাপী আইটি খাতে প্রায় ৮০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের শিকার হয়েছেন, এআই-এর ক্রমবর্ধমান ব্যবহারকে এর জন্য দায়ী করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি ৫৯ হাজারের বেশি চাকরি গেছে। বাংলাদেশের তরুণ ফ্রিল্যান্সাররাও এর প্রভাবে উদ্বিগ্ন।

ডিজিটাল শ্রম আইনের অস্পষ্টতা, নিরাপদ পেমেন্ট ব্যবস্থার অভাব, অংশগ্রহণের ধীরগতি এবং পরিবার ও সামাজিক সচেতনতার ঘাটতির কারণে দেশে নারী ফ্রিল্যান্সারদের প্রত্যাশিত গতি ও দক্ষতা বাড়ছে না।

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সদ্য উদ্বোধন করা ওয়েবসাইটে দেশের অন্তত ২১টি উপজেলার নাম উল্টাপাল্টা লেখা হয়েছে।