আমার ২০ বছর, মায়েরও ২০ বছর
খন চারপাশের বাস্তবতা বুঝতে শিখছি, তখন মনে হয়—এই দিনটি শুধু আমার জন্মদিন নয়, আমার কর্মজীবী মায়েরও নতুন করে জন্ম নেওয়ার দিন।
খন চারপাশের বাস্তবতা বুঝতে শিখছি, তখন মনে হয়—এই দিনটি শুধু আমার জন্মদিন নয়, আমার কর্মজীবী মায়েরও নতুন করে জন্ম নেওয়ার দিন।
সেই টিনের ঘরের রাতগুলোর মতো ভয় আর কখনো পাইনি। এখনো ঝড় উঠলে মনে পড়ে চৌকির নিচে গুটিসুটি বসে থাকা এক শিশুর কথা।
কিন্তু আমার জন্য যেসব পাত্র আনা হতে থাকল, তাদের আর সব ঠিক থাকলেও চোখ ঠিক নেই। হয় পিঁপড়ের মতো পিনিপিনি, নয়তো মরা মাছের মতো ঠান্ডা চোখ।
আসছে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। তারও আগে আপনাদের লেখা একগুচ্ছ টক-ঝাল-মিষ্টি ভালোবাসার গল্প নিয়ে হাজির হচ্ছে ‘ছুটির দিনে’
একটি পুরোনো রেডিও এবং বাবার স্মৃতিবিজড়িত ফুটবল প্রেমের গল্প, যেখানে ১৯৮৬ থেকে ২০২২ সালের বিশ্বকাপের আবেগ ও ভালোবাসার প্রতিফলন ঘটেছে।
ফলাফল প্রকাশের পর দেখি অকৃতকার্য হয়েছি। ভেঙে পড়েও আবার উঠে দাঁড়িয়েছি। কারণ, এ লড়াই তো আমার একার নয়; ছুটছি আমি, ছুটছেন বাবাও।
আমরা জানতাম, টাকা আবার উপার্জন করা যাবে; এই সময়, এই মুহূর্ত, এই স্মৃতি আর বাবা–চাচার সঙ্গ কখনো ফিরে আসবে না।
শতাব্দীর পর শতাব্দী পার হয়ে গেলেও এর একটি অক্ষর বা হরকতেও বিন্দুমাত্র পরিবর্তন ঘটেনি। কেয়ামত পর্যন্ত কোরআন এভাবেই সংরক্ষিত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
২০১০ বিশ্বকাপের সময় সংস্কারের কাজের জন্য আমাদের ফ্ল্যাট ছেড়ে দিতে হয়েছিল। তখন অংকুর বলেছিল, ‘বিশ্বকাপটা আমাদের বাসায় থেকে দেখো।’
ভয়ে আমার জ্বর এসে গেল। রাতে বারবার ঘুম থেকে লাফিয়ে উঠতাম। প্রায় সাত দিন পরে স্বাভাবিক হতে পেরেছিলাম।
নীল একটা শাড়ি পরেছে ঝুমু! নীল অপ্সরাদের দিকে বেশিক্ষণ তাকানো যায় না! আমি চোখ নামিয়ে নিলাম।
জুলাই সনদ ৫০ পৃষ্ঠার এক দলিল। এতে ঐকমত্যে উপনীত হওয়া ৮৪টি প্রস্তাব বা দফা আছে।