
কক্সবাজারের দুই সার্ফার সুযোগ পেলেন এশিয়ান গেমসে
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে নিয়মিত সার্ফিং করেন ১৭ নারীসহ অন্তত ৭০ জন। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে সৈকতের কলাতলী পয়েন্টে সার্ফাররা নেমে যান অনুশীলনে।

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে নিয়মিত সার্ফিং করেন ১৭ নারীসহ অন্তত ৭০ জন। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে সৈকতের কলাতলী পয়েন্টে সার্ফাররা নেমে যান অনুশীলনে।

বর্ষার আগমনী বৃষ্টিতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের পাহাড়ি ঝরনাগুলো। সবুজ পাহাড়, পাথুরে ঝিরিপথ আর ঝরনার স্বচ্ছ স্রোত দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন পর্যটকেরা। ঈদের ছুটি শুরুর পর থেকেই এ ভিড় বেড়েছে।

ঈদের ছুটি শুরুর পর লাখো পর্যটকের পদচারণে মুখর কক্সবাজার। কিন্তু সমুদ্রসৈকতের আনন্দের পাশাপাশি তাঁদের সঙ্গী হয়েছে দীর্ঘ লোডশেডিং। শহরের কলাতলী সাবস্টেশনের একটি পাওয়ার ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। এ পরিস্থিতিতে অন্তত ৩০ হাজার পর্যটক বুকিং বাতিল করেছেন বলে জানিয়েছে হোটেল মালিকদের সংগঠন।

হাউসবোটটি নির্মাণের পর শুক্রবার প্রথম টাঙ্গুয়ার হাওরে যায়। যাত্রীরা ছিলেন বোটের মালিকপক্ষের পরিবারের লোকজন ও আত্মীয়।

ঈদের ছুটিতে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতের সৌন্দর্য উপভোগে মানুষ এলেও অন্ধকার, ময়লা ও খাবারের মানহীনতার অভিযোগ করেছেন তাঁরা। নিরাপত্তা, পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা ও খাবারের মানোন্নয়নের তাগিদ দিয়েছেন পর্যটকেরা।

লম্বা ছুটি পাওয়ায় হোটেল, রিসোর্ট থেকে শুরু করে বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে ছিল দর্শনার্থী ও ভ্রমণপিপাসুদের বাড়তি ভিড়।

সাদা বাঘের খাঁচার সামনে দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট সুমাইয়া ইসলাম। বয়স মাত্র ছয় বছর। বড় বড় চোখ করে বাঘটির দিকে তাকিয়ে ছিল সে। হঠাৎ বাবার হাত চেপে ধরে প্রশ্ন করল, ‘বাবা, বাঘটা কি কামড় দেবে?’ মেয়ের প্রশ্ন শুনে হেসে ফেললেন বাবা মুশফিকুল ইসলাম। তিনি বললেন, ‘ভয় পেয়ো না। বাঘ খাঁচার ভেতরে আছে। কামড় দিতে পারবে না।’

ঈদুল আজহার ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল নেমেছে। গত দুই দিনে অন্তত দুই লাখ পর্যটক বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতসহ জেলার বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভিড় করেছেন।

বিকেলের আলো তখন ধীরে ধীরে নরম হয়ে আসছে। সমুদ্রের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে শত শত মানুষ। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হাঁটছেন সৈকতের পাড় ধরে।

বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে এখন পর্যটকের উপচে পড়া ভিড়। ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ ২২ মার্চ থেকে আজ শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ছয় দিনে সমুদ্রসৈকত ভ্রমণে এসেছেন অন্তত সাত লাখ পর্যটক।

পাথরঘাটা নদী, সাগর আর মানুষের সহাবস্থানে গড়ে ওঠা এক উপকূল। এর এক নিভৃত কোণে দীর্ঘদিন ধরে লুকিয়ে ছিল রুহিতা—নির্জন, অচেনা, অথচ অপার সৌন্দর্যে ভরপুর এক সৈকত।

গত দুই দিনের তুলনায় বান্দরবানে আজ পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে। অন্তত ১০ হাজার আবাসিক ও অনাবাসিক ভ্রমণে এসেছেন।