
প্রথম ছয় মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৫৬, গণপিটুনিতে প্রাণ হারিয়েছেন ১৩৩: এইচআরএসএস
এইচআরএসএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি-জুন মাসে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় ৫৬ জন এবং গণপিটুনিতে ১৩৩ জন নিহত হয়েছেন।

এইচআরএসএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি-জুন মাসে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় ৫৬ জন এবং গণপিটুনিতে ১৩৩ জন নিহত হয়েছেন।

পরস্পরবিরোধী এই প্রত্যাশার মধ্যে আগামীকাল বুধবার সকাল থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভার দ্বিতীয় ও শেষ দফার ভোট গ্রহণ শুরু হতে চলেছে।

নির্বাচন কমিশন, সরকার ও সব রাজনৈতিক দলের প্রতি নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে তাঁরা এ আহ্বান জানান।

মুন্সিগঞ্জে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর সমর্থককে পিটিয়ে হত্যা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় নির্বাচনী বিরোধের জেরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে এ ধরনের সংঘর্ষ ও প্রাণহানি দুঃখজনক ও অপ্রত্যাশিত। এ ছাড়া বিভিন্ন আসনে নির্বাচনী প্রচারে বাধা দেওয়া, মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন, নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুরসহ বিভিন্ন সহিংসতার প্রবণতা বাড়ছে।

কলকাতায় বিজেপির ‘বুলডোজার সংস্কৃতি’ ও হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে তৃণমূলের বিক্ষোভ, নির্বাচনী সহিংসতা বন্ধের দাবি।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, ভয়ভীতি, নারী ও সংখ্যালঘু ভোটারদের হুমকি, কালো টাকা বিতরণ এবং সাইবার হামলার অভিযোগ তুলেছেন খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন। নির্বাচনী প্রচারণা অনেকটা জমে উঠেছে। এখন পর্যন্ত বড় কোনো সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হয় এমন কোনো অঘটন না ঘটলেও নিরাপত্তা ও ভোটের পরিবেশ নিয়ে জনমনে বড় শঙ্কা রয়েই গেছে।

মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী ইলিয়াস নুরী বলেন, ‘আমার জয়প্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে কোনো প্রার্থীর লোকেরা এমন ঘটনা ঘটাতে পারে। তবে আমি এসবে ভীত নই।’

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, দেশের রাজনীতির মাঠ ও নির্বাচনী পরিবেশ ততই সহিংস হয়ে উঠছে বলে উল্লেখ করেছে মানবাধিকার ও আইনগত সহায়তা সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হত্যা, মব সন্ত্রাস ও রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধ না হওয়ায় প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে, সেটি নিরসনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও অন্তর্বর্তী সরকারকে অবশ্যই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।