ধর্মনিরপেক্ষতা নয়, সব ধর্ম ও বিশ্বাসের মানুষের সমান অধিকার চায় বিএনপি
বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেন মির্জা ফখরুল।
বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেন মির্জা ফখরুল।
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বাংলা সংস্কৃতি ও রাজনীতি নানা ধরনের বাইনারিতে (দ্বন্দ্বে) আবদ্ধ। এখানে ‘হয় তুমি এই পক্ষের, নয় তুমি ওই পক্ষের’।
স্বাধীন ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার রূপকল্প ও দৃষ্টিভঙ্গিটি বোঝা যায় ভারতের গণপরিষদে প্রদত্ত সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের এই কথায়: ‘ভারত রাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের সঙ্গে নিজেকে চিহ্নিত করবে না বা কোনো ধর্ম দ্বারা পরিচালিত হবে না। আমরা বিশ্বাস করি, কোনো ধর্মকে বিশেষ মর্যাদা বা অনন্য স্বীকৃতি দেওয়া উচিত নয় এবং কোনো ধর্মকে জাতীয় জীবনে বা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দেওয়াও অনুচিত, কারণ তা গণতন্ত্রের মৌলিক নীতিমালার লঙ্ঘন এবং ধর্ম ও সরকারের সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী।’
তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় শপথগ্রহণের পর প্রথম ভাষণে নিজেকে সাধারণ মানুষ বলে উল্লেখ করে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের যুগ গড়ার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি ক্ষমতার একমাত্র কেন্দ্র হবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। শপথের পরপরই বিদ্যুৎ বিনামূল্যে এবং নারী সুরক্ষা বাহিনী গঠনের নির্দেশ দেন।
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার—এই নীতিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক সমাজ গড়তে চায়। তেজগাঁওয়ে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি ধর্মনিরপেক্ষতা ও নাগরিক অধিকারের প্রতি সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন। গৌরনদী খ্রিষ্টান কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের আয়োজনে হয় এ অনুষ্ঠান।
একাত্তরের পর বলা হয়েছিল যে একাত্তর ঘটেছে ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য। কথাটা তলিয়ে দেখা দরকার। বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষ একই সঙ্গে বাঙালি ও মুসলমান।