নিস্তব্ধ সেন্ট মার্টিন: প্রকৃতির নতুন রূপে ফিরে পাওয়া স্বর্গ
পর্যটকদের ভিড়হীন এবং মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বর্তমান প্রাকৃতিক রূপের বর্ণনা।
পর্যটকদের ভিড়হীন এবং মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বর্তমান প্রাকৃতিক রূপের বর্ণনা।
প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের নানা বিধিনিষেধের কারণে সেখানকার পর্যটননির্ভর অর্থনীতি প্রায় ছয় মাস ধরে স্থবির হয়ে পড়েছে। মাছ ধরা ছাড়া বিকল্প কোনো কর্মসংস্থান না থাকায় দ্বীপটির হাজারো পরিবার অর্থনৈতিকভাবে চরম সংকটে পড়েছে। জমানো সঞ্চয় ফুরিয়ে আসায় খাদ্য ও মৌলিক চাহিদা মেট
দেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ পাথুরে দ্বীপ সেন্ট মার্টিনকে রক্ষা করতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ। তিনি বলেন, ‘বারবিকিউ, লেজার শো করার জন্য ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গা আছে। এসব আনন্দ-ফুর্তি করার জন্য পর্যটকেরা সেন্ট মার্টিন দ্বীপে যাবেন কেন? ব্যবসার নামে সেন্ট মার্টিনে আর ধ্বংসযজ্ঞ চালানো যাবে না।’
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্ট মার্টিন। পর্যটকদের কাছে অন্যতম পছন্দের গন্তব্য এ দ্বীপ। একসময় অনিয়ন্ত্রিত ও অবাধ পর্যটনের সুযোগ থাকলেও ২০২৪ সাল থেকে সরকার এখানে পর্যটন নিয়ন্ত্রণ ও সীমিতকরণ করেছে। মূলত পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ ও দূষণ রোধের জন্য সরকার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।