রমজানে নবীজি যেভাবে দান–সদকা করতেন
রমজানে দান-সদকা অন্যের রোজা, নামাজ ও জিকিরের সহায়ক হয়ে ওঠে; ফলে সাহায্যকারী ব্যক্তি পরোক্ষভাবে ঐ সব ইবাদতের অংশীদার হয়ে যায়।
রমজানে দান-সদকা অন্যের রোজা, নামাজ ও জিকিরের সহায়ক হয়ে ওঠে; ফলে সাহায্যকারী ব্যক্তি পরোক্ষভাবে ঐ সব ইবাদতের অংশীদার হয়ে যায়।
এখানে ‘সদকা’ মানে হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে সওয়াব বা পুরস্কার। যদি কেউ সওয়াবের নিয়তে ভালো কাজ করে, তবে সে নিশ্চিতভাবে পুরস্কার পাবে।
জাকাত নির্ধারিত আর্থিক ফরজ ইবাদত। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘তাদের ধনসম্পদে আছে প্রার্থী ও বঞ্চিতের হক বা ন্যায্য অধিকার।’
ইসলামের ‘ফিতরাত’ থেকে শুরু করে বৌদ্ধধর্মের ‘কার্মা’ পর্যন্ত—পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি ধর্ম ও দর্শন একবাক্যে স্বীকার করে যে, ‘দান’ বা ‘বদান্যতা’ হলো এই পৃথিবীর এক অলিখিত নিয়ম।
আপনার একটি ভুল ক্লিক বা আবেগের বশবর্তী হয়ে নেওয়া দ্রুত সিদ্ধান্ত আপনার কষ্টার্জিত দানের টাকা অভাবীর হাতে না গিয়ে হ্যাকারের হাতে পৌঁছে দিতে পারে।
মহানবী (সা.) বলেছেন, প্রতিটি ভালো কাজই সদকা। ধনী-দরিদ্র সবার জন্য দৈনন্দিন কাজগুলো পুণ্যের পথ খুলে দিয়েছে। হাদিসের আলোকে সদকার বিস্তৃত রূপ তুলে ধরা হয়েছে।
অভাবীর কাছে অনেক সময় বাজারের জিনিসের চেয়েও বেশি মূল্যবান হয় সরাসরি ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী। ঘরোয়া নিত্যপণ্য অনেক সময় নগদ টাকার চেয়েও বেশি কাজে দেয়।
সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে জেলা প্রশাসনের সিলগালা করা ডেগ ও দানবাক্স খুলে গণনায় পাওয়া গেছে ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা এবং একাধিক দেশের বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালংকার ও রুপাসহ নানা জিনিস।
হাজিদের কাছে দোয়া চেয়ে তাঁদের খরচে অর্থ দেওয়া সমাজে প্রচলিত। শরিয়তে এটি হাদিয়া বা সদকা হিসেবে জায়েজ, তবে চুক্তিভিত্তিক ব্যবসা নয়। ইসলাম এতে মুসলিম ভ্রাতৃত্বের নিদর্শন দেখে।
বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে উৎপাদিত ফল, অক্সিজেন বা ছায়া থেকে মানুষ, পশুপাখি বা কীটপ্রত্যঙ্গ যা-ই উপকৃত হবে, তার সওয়াব রোপণকারীর আমলনামায় সদকা হিসেবে যুক্ত হতে থাকবে।
উপকারের সওয়াব বিনষ্টের কারণ ও ইসলামে দানের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা।
প্রায়ই দেখা যায়, মসজিদ নির্মাণ, মিনারের সৌন্দর্যবর্ধন কিংবা মসজিদের এয়ার কন্ডিশনার ও দৈনন্দিন পরিচালনা খরচের জন্য জাকাতের ফান্ড থেকে অর্থ সংগ্রহ বা প্রদান করা হয়।