ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাবেও সন্তুষ্ট নন ট্রাম্প, তীব্র হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুত হচ্ছে তেহরান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান গত ৮ এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর থেকে সাময়িকভাবে শত্রুতা স্থগিত রেখেছে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান গত ৮ এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর থেকে সাময়িকভাবে শত্রুতা স্থগিত রেখেছে
এই হামলার মাধ্যমে ইসরায়েল একটি স্পষ্ট বার্তা দিতে চেয়েছে
ইসরায়েল আজ শনিবার ভোরে ইরানে হামলা চালিয়েছে, যাকে তারা ‘আগাম প্রতিরোধমূলক হামলা’ বলছে।
তেহরান ও ওয়াশিংটন উত্তেজনার মধ্যে ইরানের খুজেস্তান প্রদেশে নির্মাণাধীন দারখোভিন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রোববার (১৯ জুলাই) ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থা (এইওআই) এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলার তথ্য জানিয়েছে। এইওআই জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রোববার ভোরে খু
যুক্তরাষ্ট্র টানা ছয় দিন ধরে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে সামরিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হচ্ছে। এর পেছনের কারণ বিশ্লেষণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বোমা হামলায় তেহরানের সাধারণ নাগরিকরা ব্যবসা-সঞ্চয় হারিয়ে আর্থিক-মানসিক বিপর্যয়ের মুখে। বেসামরিক এলাকায় হামলা বাড়ায় তারা প্রশ্ন তুলছেন, ‘স্বাধীনতা'র নামে এ ধ্বংসই কি কাম্য?
ওয়াশিংটনকে ইরানের ওপর হামলা চালানো থেকে বিরত রাখতে তেহরান আঞ্চলিক মিত্রদের অনুরোধ করেছে।
তেহরান, তাবরিজসহ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অনেক এলাকাতেই বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। আরও হামলার আশঙ্কা।
গত রোববার রাতে ওয়াশিংটন–তেহরান যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিশ্চিত করে।
যুক্তরাষ্ট্রের টানা আট রাতের হামলায় ইরানের দারখোভিন অঞ্চলের একটি নির্মাণাধীন পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র আক্রান্ত হয়েছে। এর জবাবে কুয়েত ও জর্ডানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরান।
যুক্তরাষ্ট্রের টানা ষষ্ঠ রাতের হামলায় ইরানের সেতু, রেলস্টেশন ও বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; জবাবে বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরান।
যুদ্ধ বন্ধের জন্য সই হওয়া সমঝোতা ভেঙে পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু করেছে ওয়াশিংটন ও তেহরান।