
কিছু পাম্পে তেল নেই, কিছু পাম্পে ভিড় কম
রাজধানীর কয়েকটি পাম্প ঘুরে গতকাল বৃহস্পতিবারের তুলনায় আজ শুক্রবার জ্বালানি তেলের জন্য ভিড় কিছুটা কম দেখা গেছে।

রাজধানীর কয়েকটি পাম্প ঘুরে গতকাল বৃহস্পতিবারের তুলনায় আজ শুক্রবার জ্বালানি তেলের জন্য ভিড় কিছুটা কম দেখা গেছে।

পিপিআরসি চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, সরকার উত্তরাধিকারের সংকট, জ্বালানি অস্থিরতা এবং জনপ্রত্যাশা পূরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের পর মার্চে জ্বালানি সংকটের মুখে পড়লেও এপ্রিল-মে সরবরাহ বেড়েছে। বিপিসি জানায়, দেশে বড় সংকট নেই, আরও ১০টি জাহাজ আসছে। মজুত পরিস্থিতি স্থিতিশীল, তবে দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তার জন্য সংস্কার দরকার।

আজকের লড়াইটা কেবল সম্পদের নয়, প্রবাহের ওপর নিয়ন্ত্রণের। আর এই লড়াইকেই বলা যায় ‘রুট–যুদ্ধ’। এই যুদ্ধের কোনো দৃশ্যমান যুদ্ধক্ষেত্র নেই। কিন্তু প্রতিটি চুক্তি, প্রতিটি পাইপলাইন প্রকল্প, প্রতিটি রুট পরিবর্তনের মধ্যে লুকিয়ে থাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। এখানে রাষ্ট্রগুলো এমনভাবে জ্বালানি করিডর তৈরি করতে চায়, যাতে তাদের প্রভাব বাড়ে, প্রতিপক্ষের বিকল্প কমে এবং ভবিষ্যতের বাজার তাদের নিয়ন্ত্রণে আসে।

ইরানের তেলকে কেন্দ্র করে গল্পের শেষ নেই। তেল শুধু জ্বালানি নয়; বরং তা কোম্পানি, রাষ্ট্র, সাম্রাজ্য, যুদ্ধ, কূটনীতি, মুনাফা ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের ক্ষমতারও গল্প।

মূলত সরবরাহ বৃদ্ধি ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে ফিলিং স্টেশনগুলোয় জ্বালানি তেলের ভিড় কমেছে।

সরবরাহে ঘাটতি নেই, তবে আসেনি ‘জরুরি তেল’

নতুন উৎস থেকে সরাসরি তেল কেনার প্রক্রিয়ায় ৮টি বিদেশি কোম্পানি কাজ পেলেও তেল সরবরাহ করেনি। এখন উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম নগরের ২ নম্বর গেট এলাকার বাদশা মিয়া অ্যান্ড সন্স ফিলিং স্টেশনে গিয়ে চোখে পড়ল ভিন্ন দৃশ্য। মোটরসাইকেল মাত্র দুটি। তেল নিয়ে মুহূর্তেই বেরিয়ে গেল সেগুলো। নেই কোনো সারি, নেই ভোগান্তি।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, দেশে জ্বালানি তেলের মজুতের কোনো বড় সংকট নেই।

ডিজেল, অকটেন, পেট্রল ও কেরোসিনের দাম বাড়ানোর পরও মানুষের তেল পাওয়ার ভোগান্তি দূর হয়নি।

বিপিসির তথ্য বলছে, দেশে বর্তমানে অকটেনের কোনো ঘাটতি নেই।