ইরানের শাহেদ ড্রোন: পশ্চিমের নতুন চ্যালেঞ্জ
ইরানের শাহেদ ড্রোন: পশ্চিমের নতুন চ্যালেঞ্জ
ইরানের শাহেদ ড্রোন: পশ্চিমের নতুন চ্যালেঞ্জ
দ্য ইকোনমিস্ট-এর প্রতিবেদনে ফাঁস হয়েছে রাশিয়ার গোপন পরিকল্পনা, যাতে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ফাইবার-অপটিক ও স্টারলিংক ড্রোন সরবরাহ এবং প্রশিক্ষণের প্রস্তাব ছিল। জিআরইইউ-এর ১০ পৃষ্ঠার নথিতে ডায়াগ্রাম ও মানচিত্র রয়েছে। ড্রোন সরবরাহ বা প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়।
মধ্যপ্রাচ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ইরানের শাহেদ ড্রোন
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে প্রথমবারের মতো চালকবিহীন ড্রোন স্পিডবোট মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
রাশিয়া ও ইরান-ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীগুলো ড্রোন কেনায় ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার বাড়িয়েছে বলে চেইনঅ্যানালাইসিসের প্রতিবেদন। ইউক্রেন যুদ্ধের পর রুশপন্থীরা ৮৩ লাখ ডলারের বেশি ক্রিপ্টো সংগ্রহ করেছে। ব্লকচেইন এসব লেনদেন শনাক্ত করতে সহায়ক।
আবুধাবির আল-সালাম নৌঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়ায় প্রায় ১৪ লাখ মানুষ হতাহত হয়েছেন, যা দেশটির জনসংখ্যার প্রায় ১ শতাংশের সমান। তাঁদের মধ্যে প্রায় সাড়ে চার লাখ নিহত।
ইরানের সেই ‘শাহেদ-১৩৬’ ড্রোন এখন মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হয়েছে।
উত্তর ইরাকের কুর্দি নিয়ন্ত্রিত খোর মোর গ্যাসক্ষেত্রে এবং এরবিলে ইরানি ড্রোনের সন্দেহভাজন হামলা ও সিরিজ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ১৩০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ধ্বংস হয়েছে, যা তাদের মোট ড্রোন বহরের প্রায় ২৫ শতাংশ।
সেন্টকমের দাবি, সি-ড্রোন হামলার ফলে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে ইরানের অনবরত হামলা চালানোর সক্ষমতা ভেঙে পড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের মাঝে ড্রোন হামলা এবং তেল রপ্তানির পথে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে সৌদি আরব।