
ডুবোড্রোন প্রযুক্তি তৈরি করবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া
‘অকাস’ জোটের অধীন ডুবোড্রোন প্রযুক্তি তৈরি করবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া।

‘অকাস’ জোটের অধীন ডুবোড্রোন প্রযুক্তি তৈরি করবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া।

দ্য ইকোনমিস্ট-এর প্রতিবেদনে ফাঁস হয়েছে রাশিয়ার গোপন পরিকল্পনা, যাতে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ফাইবার-অপটিক ও স্টারলিংক ড্রোন সরবরাহ এবং প্রশিক্ষণের প্রস্তাব ছিল। জিআরইইউ-এর ১০ পৃষ্ঠার নথিতে ডায়াগ্রাম ও মানচিত্র রয়েছে। ড্রোন সরবরাহ বা প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়।

হরমুজ প্রণালীতে চলমান অবরোধ বিশ্ব অর্থনীতিকে এক গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এলএনজি এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় এর অচলাবস্থা সরাসরি জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। তেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইনে ব্যাঘাত বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে তুলছে। এর পাশাপাশি আধুনিক যুদ্ধ কৌশলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ড্রোন প্রযুক্তি এবং অ্যালগরিদম-নির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এই সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধু সামরিক সংঘাত নয়, বরং অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত আধিপত্যের লড়াই। হরমুজ সংকট দীর্ঘায়িত হলে খাদ্য নিরাপত্তা, শিল্প উৎপাদন এবং বৈশ্বিক বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। ফলে এই সংকটের দ্রুত সমাধান এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যয়কে শুধু সরঞ্জাম কেনায় নয়, দেশীয় শিল্প ও উদ্ভাবনের ইঞ্জিন হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব। বিশ্বের সফল মডেল যেমন আর্মড ফোর্সেস-ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া নেক্সাস থেকে শিক্ষা নিয়ে জাতীয় নীতি প্রণয়নের আহ্বান। এতে অর্থনৈতিক-সামরিক উন্নয়ন সম্ভব।

ইরান যুদ্ধে সস্তা শাহেদ ড্রোনের সাফল্য গুগলের সাবেক সিইও এরিক শ্মিটের পুরোনো পরামর্শকে নতুন করে প্রাসঙ্গিক করেছে। তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীকে ব্যয়বহুল ট্যাংকের বদলে ড্রোন কেনার উপদেশ দিয়েছিলেন। এই যুদ্ধ ড্রোন প্রযুক্তির তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা প্রমাণ করেছে।

ইরানের শাহেদ ড্রোন: পশ্চিমের নতুন চ্যালেঞ্জ