ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা: তেলের দাম স্থিতিশীল
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার পর তেলের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সামান্য কমলেও ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম বেড়েছে।
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার পর তেলের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সামান্য কমলেও ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম বেড়েছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ পরিস্থিতি বিরাজ করলেও তেল ট্যাংকারের চলাচল অব্যাহত থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম কমেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং মার্কিন তেলের মজুত কমে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) এবং ব্রেন্ট ক্রুড অপরিশোধিত তেলের দাম আজ শুক্রবার ৩ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিতীয় দফা আলোচনার সম্ভাবনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে। ব্রেন্ট ক্রুড ৯৮.৪০ ডলারে এবং ডব্লিউটিআই ৯৭.৪০ ডলারে নেমেছে। এশিয়ার শেয়ারবাজারেও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে।
হরমুজ প্রণালি অবরোধের হুমকিতে সোমবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম তীব্র ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড ৭% বেড়ে ১০২.১৬ ডলার এবং ডব্লিউটিআই ৮.৫% উঠে ১০৪.৮২ ডলারে পৌঁছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের কারণে জ্বালানিসংকটের আশঙ্কা বাড়ছে।
ম্যাককোয়ারি গ্রুপের গবেষণায় বলা হয়েছে, যুদ্ধ জুন পর্যন্ত চললে তেলের দাম সাময়িকভাবে ২০০ ডলার ছাড়াতে পারে, সম্ভাবনা ২০ শতাংশ। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ ও হরমুজ বন্ধের কারণে ডব্লিউটিআই ক্রুড ১০০ ডলার পেরিয়েছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন, সরবরাহ সংকট গভীর হলে বিশ্ব অর্থনীতি বড় ধাক্কা খাবে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে কঠোর হামলার হুমকির পর বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৯ ডলার ছাড়িয়ে যায়। ডব্লিউটিআই তেলও ১১০ ডলারের ওপরে ওঠে। ইরান যুদ্ধে হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে সরবরাহ ব্যাহত।
প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩৭ সেন্ট বেড়ে ৬৪ ডলার ১৩ সেন্ট হয়েছে। সেই সঙ্গে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম দাঁড়িয়েছে ব্যারেলপ্রতি ৫৯ ডলার ৪৪ সেন্ট।
আজ মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি ৬৪ ডলার ১৫ সেন্ট। ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ছিল ৫৯ ডলার ৭৮ সেন্ট।
হরমুজ প্রণালি খোলার অনিশ্চয়তা ও মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার ঘটনায় তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআইয়ের দাম বেড়েছে।