টিআইএন ছাড়া যা করা যাবে না
চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, জমি-ফ্ল্যাট-গাড়ির মালিকদের টিআইএন লাগবে। তাঁদের টিআইএন নেওয়া জরুরি।
চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, জমি-ফ্ল্যাট-গাড়ির মালিকদের টিআইএন লাগবে। তাঁদের টিআইএন নেওয়া জরুরি।
ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়া, দীর্ঘদিন আয় না থাকা, আইনি কাঠামোর পরিবর্তন কিংবা ভুলবশত টিআইএন গ্রহণ—এসব কারণেই অনেকের কাছে নিবন্ধন বাতিল একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত হয়ে ওঠে।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাজেট বক্তৃতায় তিনি এই টিআইএনের বাধ্যবাধকতা দেন।
সিটি করপোরেশন ও পৌর এলাকায় জমি–ফ্ল্যাটের বণ্টননামা, দলিল নিবন্ধন এবং নামজারির ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব ছিল। অর্থবিলে সংশোধনী এনে এই বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়া হয়েছে।
বাজেটের কিছু প্রস্তাব পরিবর্তন হতে পারে। পরিবর্তিত এসব বিষয়ের মধ্যে টিআইএন দেওয়ার বাধ্যবাধকতার বিষয়টিও থাকছে বলে জানান এনবিআর কর্মকর্তারা।
অর্থমন্ত্রী জানান, প্রবাসীকল্যাণ সেবা, বিমা, ব্যাংকিং সুবিধা ও জরুরি সহায়তার সঙ্গে কার্ডটি সংযুক্ত করা হবে। ফলে প্রবাসীরা এক কার্ডের মাধ্যমেই সরকারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও আইনি সুরক্ষা পাবেন।
বাজেটে কোথায় করছাড়, কোথায় আওতা বাড়বে
বিল ও বন্ড কেনার জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি বিজনেস পার্টনার আইডেনটিফিকেশন (বিপি আইডি) হিসাব খুলতে হয়। এনআইডি, টিআইএন, আবেদনকারী বা মনোনীত ব্যক্তির ছবি, ব্যাংক হিসাবের বিবরণ থাকা বাধ্যতামূলক।
সোয়া এক কোটি টিআইএনধারির মাঝে গতবার ৪৭ লাখ করদাতা অনলাইনে রিটার্ন দিয়েছেন। রিটার্ন দাখিলে সাধারণ ভুলগুলো এড়িয়ে চলার বিষয়ে সতর্ক করেছে এনবিআর।
সোয়া এক কোটি টিআইএনধারী দেশে, সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন জমা দিলে বিশেষ করছাড়ের সুযোগ।
প্রস্তাবিত বাজেট পাসের আগে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো, ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএনের বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান।
এ বছর প্রায় সাড়ে ৪২ লাখ করদাতা আয়কর রিটার্ন দিয়েছেন। কিন্তু দেশে ১ কোটি ২০ লাখের মতো কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএনধারী) আছেন।