জনসংখ্যা কীভাবে বোঝা থেকে জনসম্পদে পরিণত হতে পারে
মানুষকে জনসম্পদে রূপ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা, সক্ষমতা বিকাশ, সুযোগ-সুবিধার অসমতা ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রভাব—এসব দিক তুলে ধরে মতামতধর্মী লেখা।
মানুষকে জনসম্পদে রূপ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা, সক্ষমতা বিকাশ, সুযোগ-সুবিধার অসমতা ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রভাব—এসব দিক তুলে ধরে মতামতধর্মী লেখা।
জনসংখ্যা নীতি হলো কোনো দেশের সরকার কর্তৃক গৃহীত এমন পরিকল্পনা ও কৌশল, যার মাধ্যমে দেশের জনসংখ্যার আকার, বৃদ্ধির হার, বণ্টন ও গুণগত মান নিশ্চিত বা উন্নত করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করা।
জনসংখ্যানীতি ২০০৪ এবং ২০১২-এর মূল লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয়নি। অধিকন্তু পরিবর্তিত বাস্তবতায় নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আবির্ভূত হয়েছে।
একসময় ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১৫০-এর বাইরে থাকা দলটি আজ বিশ্বের সেরা ৪৮ দলের একটি। তবে কুরাসাওয়ের গর্ব শুধু ফুটবল না।
২০৩৬ সালে বাংলাদেশের সংখ্যা দাঁড়াতে পারে প্রায় ২০ কোটিতে।
চীনে ২০২৫ সালেও দেশটির জনসংখ্যা কমেছে। এ নিয়ে টানা চার বছর দেশটির জনসংখ্যা কমল। টানা চীনের সরকারি তথ্যে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
সুইজারল্যান্ডে জনসংখ্যা ১ কোটিতে সীমিত রাখার প্রস্তাব নিয়ে ভোট হচ্ছে।
প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ে নবায়নযোগ্য ও অনবায়নযোগ্য সম্পদ, সৌরশক্তি এবং জনসংখ্যা সংক্রান্ত ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর। সঠিক উত্তরসহ প্রকাশিত। ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক মিজানুর রহমান প্রস্তুত করেছেন।
বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়। এ বছর ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বাংলাদেশে তরুণ-তরুণীদের মতামত ও চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬-এর প্রতিপাদ্য বিষয় হলো—‘আজ ও আগামীর জন্য তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন’। এই প্রতিপাদ্য বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট নিয়ে লিখেছেন মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম
ভারতে প্রজননহার স্থিতিশীল মাত্রার নিচে নেমে আসায় শ্রমসংকটের আশঙ্কা বাড়ছে।
ইউনিসেফ ও বিবিএস-এর জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট প্রজনন হার ২.৩ থেকে বেড়ে ২.৪ হয়েছে, যা ২০৩৬ সালের মধ্যে অতিরিক্ত ৯৬ লাখ জনসংখ্যা বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করেছে।