
চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ধসে ছয়জনের মৃত্যু, ব্যাহত সড়ক ও রেল যোগাযোগ
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারো পাহাড়ধসে ছয়জন নিহত, পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে নিচু এলাকা

চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারো পাহাড়ধসে ছয়জন নিহত, পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে নিচু এলাকা

রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেছেন, কুমিল্লায় রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতদের পরিবারের জন্য রেল কর্তৃপক্ষ এক লাখ টাকা করে বরাদ্দ করেছে।

রেলওয়ে এবং রেল পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা একেবারেই বন্ধ হচ্ছে না। প্রতি মাসেই গড়ে ৭ থেকে ৮টি ঘটনা ঘটে, অর্থাৎ বছরে প্রায় ১০০ বার এ ধরনের ঘটনা ঘটছে।

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আজ বুধবার সন্ধ্যায় সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। একই সময়ে চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুরগামী মেঘনা এক্সপ্রেসের একটি বগির চারটি চাকা লাইনচ্যুত হয়।

চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে রেল প্রতিমন্ত্রী, দেরিতে ছাড়ল দুই ট্রেন

স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চায় রেল। এ জন্য ১ এপ্রিল সভা করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয় ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সভায় ট্রেন চালু, রেললাইন নির্মাণ ও সংস্কার, ইঞ্জিন-বগি কেনা ও সংস্কারের উদ্যোগ বা পরিকল্পনা কোন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত হবে কিংবা তদারক করা হবে, তারও দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।

ইঞ্জিনসংকটের কারণে ট্রেন দেরিতে ছাড়ার এটি একটিমাত্র উদাহরণ। এ রকম ঘটনা এখন প্রায় সময় ঘটছে। কখনো কখনো সময় মেনে ট্রেন ছাড়লেও মাঝপথে বিকল হয়ে পড়ছে ইঞ্জিন। এসব কারণে গন্তব্যে পৌঁছাতে বাড়তি সময় লাগছে যাত্রীদের।

রেললাইনে পানি জমে থাকার কারণে প্রায় এক হাজার যাত্রী নিয়ে ষোলশহরে আটকে আছে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস।

আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর রেল পূর্বাঞ্চলের সদর দপ্তরে নিহত ব্যক্তির জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর লাশটি দাফনের জন্য তাঁর গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হবে।

গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ২টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার রেল ক্রসিংয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের সঙ্গে একটি পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষ হয়েছে। দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। তবে দুর্ঘটনার কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল। আজ রোববার সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটের দিকে উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকায় এই দুর্ঘটনায় ঘটে।

চট্টগ্রাম থেকে আখাউড়া যাওয়ার জন্য বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট কেটেছিলেন পারভিন আক্তার। ট্রেনটি আজ বুধবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ছাড়ার কথা ছিল। তাই ভোরে ঘুম থেকে উঠেই ব্যাগ গোছান চল্লিশোর্ধ্ব এই নারী। সকাল সাতটায় হালিশহরের বউবাজার এলাকার বাসা থেকে সন্তানদের নিয়ে বের হন। আধা ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে যান চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে। কিন্তু স্টেশনে এসে জানতে পারেন, ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ে ছাড়ছে না। প্রায় চার ঘণ্টা দেরি হবে।