
কাউয়াদীঘি হাওরপারে ফুল-পাতায় লেগেছে বসন্তের হাওয়া
মৌলভীবাজারের কাউয়াদীঘি হাওরপারের গ্রামগুলোর গাছে গাছে এখন বসন্ত বাতাস লেগেছে। গাছে গাছে ফুল ও পাতায় উছলে পড়ছে বসন্তের ঢেউ।

মৌলভীবাজারের কাউয়াদীঘি হাওরপারের গ্রামগুলোর গাছে গাছে এখন বসন্ত বাতাস লেগেছে। গাছে গাছে ফুল ও পাতায় উছলে পড়ছে বসন্তের ঢেউ।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কাউয়াদীঘি হাওরপারে এখন দিগন্তজোড়া সবুজের মুগ্ধতা। যেদিকেই চোখ যায়, শুধু ধানের খেত—কোথাও গাঢ় সবুজ, কোথাও হালকা সবুজ বা সোনালি আভা।

মৌলভীবাজারের কাউয়াদীঘি হাওর বর্ষায় অপরূপ সৌন্দর্যে সেজেছে। তবে প্রাকৃতিক রূপের পাশাপাশি ঢলের কারণে ফসলহানি এবং যাতায়াত সংকটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মৌলভীবাজারের কাউয়াদীঘি হাওরে বন্যার পানিতে পাকা ধান তলিয়ে প্রান্তিক কৃষকেরা চরম ক্ষতির মুখে, খরচও উঠছে না।

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে মৌলভীবাজারের কাউয়াদীঘি হাওরে ধানখেত তলিয়ে গেছে। শ্রমিকসংকট ও বাড়তি খরচে বিপাকে কৃষকেরা; প্রাথমিকভাবে শতাধিক হেক্টর ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা।

মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলাজুড়ে বিস্তৃত কাউয়াদীঘি হাওরের বিকেলটা প্রকৃতির বিচিত্র আয়োজন ও বৈচিত্র্যে আলাদা এক জগৎ।

মৌলভীবাজারের কাউয়াদীঘি হাওরে অকালবন্যায় তলিয়ে গেছে কৃষক নোমান মিয়ার ১৬ কিয়ার বোরো ধান। দেনার দায়ে জর্জরিত এ কৃষকের ‘সন্তানসম’ ফসল হারানোর আর্তনাদ ও বুকসমান পানি থেকে ধান উদ্ধারের লড়াইয়ের কথা উঠে এসেছে তাঁর কথায়।

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার কাউয়াদীঘি হাওরপারের অন্তেহরি গ্রামের চিত্র সবচেয়ে বেশি খারাপ। পাকা ধানের খেত পানির নিচে, কেটে আনা ধানও রোদ না থাকায় শুকানো যায়নি।

অতিবর্ষণ ও ঢলের পানিতে কাউয়াদীঘি হাওরের পাকা ধান তলিয়ে যাওয়ায় ফসলহারা কৃষকেরা এখন পচা ধান উদ্ধার ও মাছ ধরেই টিকে থাকার লড়াই করছেন।

মৌলভীবাজারের কাউয়াদীঘি হাওরপারে এখন সকাল থেকে সন্ধ্যারাত পর্যন্ত বোরো ধান গোলায় তুলতে ব্যস্ত সময় চলছে।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কাউয়াদীঘি হাওরপারের খইশাউড়া গ্রামের কাছে রোববার বিকেলে এমন দৃশ্য দেখা যায়। জায়গাটি একেকজনের কাছে একেক নামে পরিচিত।

মৌলভীবাজারের কাউয়াদীঘি হাওরের একটি অংশ এই মেলাগড়। শীত নামলে হাওরের পানি সরে যায়, ভেসে ওঠে জলভেজা এই বিস্তৃত মাঠ। সেই মাঠ ক্রমে হয়ে ওঠে আরও সবুজ ও মায়াবী।