
ওজন নিয়ন্ত্রণে খেতে পারেন কম ক্যালরির এসব স্বাস্থ্যকর নাশতা
নিয়মিত এমন উচ্চক্যালরির নাশতা ওজন বৃদ্ধি, হৃদ্রোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

নিয়মিত এমন উচ্চক্যালরির নাশতা ওজন বৃদ্ধি, হৃদ্রোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধরন হলো ‘১৬: ৮’ পদ্ধতি। অর্থাৎ দিনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৬ ঘণ্টা ফাস্টিং আর বাকি ৮ ঘণ্টার মধ্যে সব খাবার খেয়ে নেওয়া।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চিকিৎসকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর ‘স্বাস্থ্য চমৎকার’। এতে দেখা গেছে, তাঁর ওজন বেড়েছে এবং স্নায়বিক ও হার্টের পরীক্ষাগুলোর ফল ‘স্বাভাবিক’ এসেছে।

নবজাতক কন্যাশিশুরও মাসিক হতে পারে। জন্মের প্রথম সপ্তাহে কন্যাশিশুর ডায়াপারে রক্তের ফোঁটা দেখে অনেক অভিভাবক অবাক ও আতঙ্কিত হন।

থাইরয়েড ও পুষ্টি—এই দুটো বিষয় একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। থাইরয়েড হরমোন শরীরের বিপাকক্রিয়া, শক্তি উৎপাদন, ওজন নিয়ন্ত্রণ, হৃদ্যন্ত্রের কার্যক্রম এমনকি মস্তিষ্কের বিকাশ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করে।

সকালে ঘুম থেকে উঠে ওজন হয়তো এক রকম দেখা গেল, রাতে শোবার আগে মাপলে দেখা যায় এক থেকে দুই কেজি বেড়ে গেছে!

গ্রীষ্মে খরমুজ বা সাম্মাম পানিশূন্যতা রোধ, হজমশক্তি বাড়ায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এতে ভিটামিন এ, সি, পটাশিয়ামে ভরপুর। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পরিমিত খাওয়ার পরামর্শ।

আদা, মধু ও কালিজিরা প্রদাহ কমায় এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। সকালে পরিমিত খেলে সতেজতা ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস রোগী বা ওষুধ খাওয়া ব্যক্তিরা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

শজনেডাঁটা ও পাতা পুষ্টিগুণে ভরপুর, অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ এবং হাড়, চোখ ও ওজন নিয়ন্ত্রণে উপকারী। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের তথ্য অনুসারে এতে প্রোটিন, আঁশ ও ভিটামিনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য। গর্ভবতী নারী, ওষুধসেবনকারী এবং অ্যালার্জিপ্রবণ ব্যক্তিরা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাবেন না।

রোজ দারুচিনি-পানি খাওয়ার চর্চাটা অনেকের কাছে ওজন কমানোর একটা সহজ উপায় হিসেবে জনপ্রিয়। তবে এই পানীয় গ্রহণে আদতেই কি ওজন কমে?

স্থূলতা যে হারে বাড়ছে, তাতে ২০৩৫ সালের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেক মানুষই স্থূলতা বা ওজনাধিক্যে আক্রান্ত হবেন।

দিনে মাত্র ১০ মিনিটের শরীরচর্চাও হৃদ্রোগের ঝুঁকি অনেকটা কমিয়ে দেয়। কিন্তু সমস্যা বাঁধে নিয়ম মানা নিয়ে।