কপোতাক্ষ নদের তীরে ঐতিহাসিক মসজিদকুঁড় মসজিদ
সুন্দরবনসংলগ্ন খুলনার কয়রা উপজেলার মসজিদকুঁড় গ্রামে কপোতাক্ষ নদের তীরে শতাব্দীর সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রাচীন মসজিদকুঁড় মসজিদ।
সুন্দরবনসংলগ্ন খুলনার কয়রা উপজেলার মসজিদকুঁড় গ্রামে কপোতাক্ষ নদের তীরে শতাব্দীর সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রাচীন মসজিদকুঁড় মসজিদ।
পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী ঋষিকেশ দাসের তৈরি শত বছরের পুরোনো ভবন রোজ গার্ডেন। কিন্তু সেই রোজ গার্ডেন নিজের করে পাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি তাঁর।
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে অবস্থিত মোগল আমলের প্রায় সাড়ে চার শ বছরের পুরোনো চান্দামারী জামে মসজিদ। ইট-চুন-সুরকির তিন গম্বুজওয়ালা এ স্থাপনা ইতিহাস ও স্থাপত্যের বিরল নিদর্শন।
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ঘাঘড়া লস্কর গ্রামে দাঁড়িয়ে আছে মোগল আমলের স্মৃতি বহনকারী ঐতিহাসিক ঘাঘড়া লস্কর খানবাড়ি জামে মসজিদ।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম দানিয়ুব নদী শুকিয়ে যাওয়ায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যুদ্ধজাহাজ এবং প্রাচীন ম্যামথের জীবাশ্মসহ নানা ঐতিহাসিক নিদর্শন বেরিয়ে আসছে।
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত পাথরাইল দিঘিরপাড় গ্রামে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ছয় শ পুরোনো একটি মসজিদ। ‘পাথরাইল দিঘিরপাড় আউলিয়া মসজিদ’ নামের এই স্থাপনা বর্তমানে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীন সংরক্ষিত প্রত্ননিদর্শন।
পিতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহের বোঝা তাঁর অন্তরে গভীরভাবে চেপে বসেছিল। অনুশোচনায় কাতর আবু ইনান আলেমদের ডেকে এনে জিজ্ঞেস করেছিলেন কীভাবে তিনি ক্ষমা পেতে পারেন।
ইসলামি ইতিহাসের অনন্য শহর কুফার নগর পরিকল্পনায় মসজিদকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক ভবন ও বায়তুলমাল নির্মিত হয়। খলিফা ওমর (রা.)-এর নির্দেশে ১৭ হিজরিতে প্রতিষ্ঠিত এই শহরে প্রশস্ত রাস্তা ও সুনির্দিষ্ট নকশা ছিল। পরে এটি খেলাফতের রাজধানী হয়।
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার হরিপুর দেউলী গ্রামে আছে প্রাচীন এক মসজিদ। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে এটি ‘ভূঁইয়া বাড়ি জামে মসজিদ’ নামে পরিচিত।
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার গিলাবাড়ি গ্রামে মোগল আমলের প্রাচীন মসজিদটি কয়েক শ বছর ধরে ঐতিহ্যের স্মারক হিসেবে টিকে আছে।
দুই দিনের সফরে ‘বাংলার ভেনিস’খ্যাত বরিশালে গিয়ে নদী-খাল, ভাসমান বাজারসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
প্রায় ২২৩ বছরের প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থাপনাটি বর্তমানে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীন সংরক্ষিত পুরাকীর্তি। ১৯৮৭ সালের ১৯ মার্চ এটি সরকারের প্রত্নসম্পদ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।