এআই আয়নায় নিজেকে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দৃষ্টিহীন ব্যক্তিরা
দৃষ্টিহীন মানুষকে প্রথমবারের মতো নিজেদের চেহারা ও শরীর সম্পর্কে তাৎক্ষণিক ও বিশদ তথ্য জানার সুযোগ করে দিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন অ্যাপ।
দৃষ্টিহীন মানুষকে প্রথমবারের মতো নিজেদের চেহারা ও শরীর সম্পর্কে তাৎক্ষণিক ও বিশদ তথ্য জানার সুযোগ করে দিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন অ্যাপ।
চ্যাটজিপিটি বা ক্যানভার মতো টুলগুলো ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই প্রতি মাসে ভালো অঙ্কের টাকা আয় করতে পারেন। কীভাবে?
এআই তৈরি মডেল আমারার গড় মাসিক আয় ৮০ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯৮ লাখ টাকা। বার্ষিক আয় ১ মিলিয়ন ডলার বা ১২ কোটি টাকা। ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকে তার লাখো অনুসারী রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘আলফা স্কুল’ ব্যতিক্রমী এক প্রতিশ্রুতি দিয়ে আলোচনায় এসেছে।
এআই টুলের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে কনটেন্ট রাইটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং ও গ্রাফিক ডিজাইনের মতো ক্ষেত্রে আয়ের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
এআই খাতের বিপুল সম্পদের জোয়ারে যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোয় আবাসনের মূল্য দ্রুত বাড়ছে। ওপেনএআই ও অ্যানথ্রপিকের কর্মীদের শেয়ার থেকে পাওয়া অর্থবাজারকে আরও উত্তপ্ত করে তুলছে।
ইন–অথেনটিক হিসেবে বিবেচিত তিন ধরনের এআই ভিডিও এখন থেকে ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের (ওয়াইপিপি) মাধ্যমে আর আয়ের সুযোগ পাবে না।
২০২৬ সালে এমন কিছু ব্যবসা সামনে আসছে, যেসব শুধু লাভজনকই নয়, দীর্ঘ মেয়াদে টেকসইও হবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুত উন্নয়নই সাম্প্রতিক কর্মী ছাঁটাইয়ের অন্যতম কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এআইয়ের মাধ্যমে যুদ্ধের ভুয়া ভিডিও প্রকাশ করা কনটেন্ট (আধেয়) নির্মাতাদের আয় স্থগিত করা হবে বলে জানিয়েছে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন এক্স।
মানব সভ্যতা এখন ডিজিটাল রূপান্তরের এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা আর কেবল ইন্টারনেট–সংযোগ বা যন্ত্রের প্রাপ্যতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।