জুলাইয়ে বৈদেশিক ঋণ ছাড় কমেছে, পরিশোধ বেড়েছে
জুলাইয়ে বৈদেশিক ঋণ ছাড় কমেছে ১৩.৩৯%, পরিশোধ বেড়েছে প্রায় ৪%। নতুন ঋণের চেয়ে পরিশোধ ২৭৩.০৫ মিলিয়ন ডলার বেশি।
জুলাইয়ে বৈদেশিক ঋণ ছাড় কমেছে ১৩.৩৯%, পরিশোধ বেড়েছে প্রায় ৪%। নতুন ঋণের চেয়ে পরিশোধ ২৭৩.০৫ মিলিয়ন ডলার বেশি।
কিশোর বয়সে বিনা টিকিটে ট্রেনে ঢাকায় কাঁঠাল নিয়ে যাতায়াত করতেন মফিজুল ইসলাম (৬০)। ১৯৭৬-৭৮ সালের সেই ‘ঋণ’ পরিশোধ করে গত ২৮ মার্চ রেলওয়েকে দিয়েছেন ২০ হাজার টাকা। শ্রীপুর রেলস্টেশন কর্তৃক এতে তারা মুগ্ধ।
চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) ৩০৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার বিদেশি ঋণ ও অনুদান এসেছে, প্রায় ২৯০ কোটি ডলার শোধ হয়েছে। ইআরডির প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। রাশিয়া সবচেয়ে বেশি ঋণ দিয়েছে এই সময়ে।
জুলাই–জানুয়ারি মাসে বিদেশি ঋণ ও অনুদান এসেছে ২৬৪ কোটি ১৬ লাখ ডলার। বিভিন্ন দাতাসংস্থা ও দেশকে ২৬৭ কোটি ৬৮ লাখ ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে।
আগামী পাঁচ বছরে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ বাংলাদেশের ওপরে এক বিরাট অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে। এই সংবাদ শঙ্কার।
খাগড়াছড়ি, দীঘিনালায় হঠাৎ অতি ভারী বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে উপজেলার সুধীর মেম্বার পাড়ার বাসিন্দা ইয়াসমিন আক্তারের খামারে থাকা দেড় হাজার মুরগি মারা গেছে। চার লাখ টাকা ঋণ নিয়ে তিনি খামারটি করেছিলেন। এখন ঋণের টাকা পরিশোধ নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
আইডিএলসির এসএমই পূর্ণতা সেবায় নারী উদ্যোক্তারা জামানত ছাড়া ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন, সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা। এক থেকে পাঁচ বছরে পরিশোধ সম্ভব। প্রশিক্ষণ, লাইসেন্স সহায়তাসহ বিভিন্ন সুবিধা পাওয়া যায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী গত মার্চ শেষে এক কোটি টাকার কম ঋণের খেলাপি গ্রাহক বেড়ে ৪৫ লাখ ৪৩ হাজারে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে জীবনযাত্রার ব্যয়, ঋণের বোঝা, এসএমই কার্যক্রমের মন্থর গতি এবং কৃষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায় পরিশোধ সক্ষমতা কমে যাওয়াকে মূল কারণ হিসেবে দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
‘স্মল এন্টারপ্রাইজ খাতে পুনঃ অর্থায়ন স্কিম’-এর আওতায় নেওয়া ঋণ পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রণোদনা পাওয়া ১৬ জন নারী উদ্যোক্তাকে সম্মাননা দিয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, যেসব ঋণগ্রহীতা বিভিন্ন কারণে আর্থিক সংকটে পড়লেও ব্যবসা পরিচালনার সক্ষমতা রাখেন এবং ঋণ পরিশোধের আন্তরিকতা রয়েছে, তাঁদের এই এককালীন বিশেষ এক্সিট সুবিধা দেওয়া হবে।
দেশি অটোমোবাইল শিল্পের বিকাশের স্বার্থে বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়ির পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত গাড়ি কিনতে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত অটো লোন (গাড়ি ঋণ) দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর বলেন, প্রথমে ৪ শতাংশ সুদে ১৫০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছিল। পরে সেই সুদ ৯-১১ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। এ ছাড়া করোনাভাইরাসসহ নানা সমস্যা ঋণ পরিশোধে কিছুটা বিলম্ব হয়েছিল।