ইয়েমেন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে: ইসরায়েল
ইরানের মধ্যাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েল।
ইরানের মধ্যাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েল।
তুলনামূলক শান্তির চার বছর পর ইয়েমেনে আবারও সামরিক তৎপরতা বাড়ায় সম্ভাব্য পূর্ণমাত্রার সংঘাত নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
ইয়েমেনে কী ঘটছে, তা আর শুধু আরব উপদ্বীপের বিষয় নয়; এটি এখন বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের কারণ।
আমিরাত একসময় পর্যন্ত সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের অংশ ছিল।
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বছরের পর বছর ধরে ইয়েমেনের বিভক্ত সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চলে পরস্পরবিরোধী বিভিন্ন গোষ্ঠীকে সমর্থন দিয়ে আসছে।
হোদেইদাহ বন্দর দিয়েই হুতি-নিয়ন্ত্রিত উত্তর ইয়েমেনে বেশির ভাগ পণ্য প্রবেশ করে।
লোহিত সাগরে চলাচলকারী জাহাজের ওপর একের পর এক হামলার সর্বশেষ ঘটনা এটি।
গত বছরের শেষ দিকে ইয়েমেন থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে কার্যত সরিয়ে দিয়েছে সৌদি আরব।
লোহিত সাগরে হুতিদের অবরোধের কারণে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সম্প্রতি নাজরান প্রদেশে হামলায় ১১ জন আহত হয়েছেন; বড় ধরনের সমন্বিত হামলার আশঙ্কা করছে রিয়াদ।
লোহিত সাগরে হুতিদের হামলা থেকে তেলবাহী জাহাজ রক্ষা করতে একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠনের চেষ্টা করছে সৌদি আরব।
ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের দাবি, ইয়েমেনে রিয়াদের বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই তারা সৌদি আরবের এই ‘সংবেদনশীল’ তেল অবকাঠামোয় আঘাত হেনেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা স্থগিত রাখলেও ইয়েমেনে হুতিদের সৌদি তেল স্থাপনায় আক্রমণ এবং কাস্পিয়ান সাগরে ইরানি জাহাজে ইউক্রেনের হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নতুন মোড় নিয়েছে।