১০ মাসে বিদেশি ঋণ শোধ ৩৮০ কোটি ডলার
আজ রোববার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) জুলাই–এপ্রিলের বিদেশি ঋণ পরিস্থিতির হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই সময়ে বিদেশি ঋণ ও অনুদান মিলিয়ে এসেছে ৪২৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার।
আজ রোববার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) জুলাই–এপ্রিলের বিদেশি ঋণ পরিস্থিতির হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই সময়ে বিদেশি ঋণ ও অনুদান মিলিয়ে এসেছে ৪২৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার।
জুলাইয়ে বৈদেশিক ঋণ ছাড় কমেছে ১৩.৩৯%, পরিশোধ বেড়েছে প্রায় ৪%। নতুন ঋণের চেয়ে পরিশোধ ২৭৩.০৫ মিলিয়ন ডলার বেশি।
২০২৬-২৭ থেকে ২০২৯-৩০ অর্থবছর পর্যন্ত এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের ৪২১ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত অর্থায়নের প্রয়োজন, যার বড় অংশ দেশীয় উৎস ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব থেকে সংগ্রহ করতে হবে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) প্রতিবেদন অনুসারে, গত অর্থবছরে ৪০৯ কোটি ডলার শোধ করেছিল বাংলাদেশ।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) ৩৫২ কোটি ডলার ঋণ শোধ করতে হয়েছে।
ভারতে বাংলাভাষী মুসলিম, দলিত ও রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন এবং আন্তর্জাতিক নীতি লঙ্ঘনের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্য বিলোপ কমিটি।
ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী অর্থবছরের বিদেশি ঋণের সুদ ও আসল মিলিয়ে ৪৪৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার শোধ করেছে বাংলাদেশ; আগের অর্থবছরে ছিল ৪০৯ কোটি ডলার।
সম্প্রতি এই আদেশ জারি করেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)। এই ভ্যাট অব্যাহতি পেতে বিটিভিকে চারটি শর্ত দিয়েছে আইআরডি।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও সারের দাম বেড়ে গেছে। ঋণের খোঁজ করতে ইআরডিকে চিঠি অর্থ মন্ত্রণালয়ের।
চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) ৩০৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার বিদেশি ঋণ ও অনুদান এসেছে, প্রায় ২৯০ কোটি ডলার শোধ হয়েছে। ইআরডির প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। রাশিয়া সবচেয়ে বেশি ঋণ দিয়েছে এই সময়ে।