
কোরআনের বর্ণনায় মুমিনের ১০ গুণ
ইহকাল ও পরকালে চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করতে হলে মানুষকে অবশ্যই আদর্শ গুণাবলি অর্জন করতে হবে। কোরআনে ইমানদারদের এমন কিছু গুণের আলোচনা করা হয়েছে।

ইহকাল ও পরকালে চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করতে হলে মানুষকে অবশ্যই আদর্শ গুণাবলি অর্জন করতে হবে। কোরআনে ইমানদারদের এমন কিছু গুণের আলোচনা করা হয়েছে।

আত্মসমালোচনা শুধু আত্মপর্যালোচনার একটি প্রক্রিয়াই নয়; বরং এটি মানুষের চরিত্র, নিয়ত এবং আখেরাতমুখী জীবন গঠনের একটি শক্তিশালী মাধ্যম।

পাপ বান্দা ও তার প্রতিপালকের মধ্যকার সম্পর্ক দুর্বল করে আখেরাতের সফলতাকে বিপন্ন করে তোলে। তাই পাপের কারণগুলো জানা এবং সেগুলো থেকে বেঁচে থাকা অপরিহার্য।

জীবনের প্রতিটি কঠিন ও ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ মুহূর্তে আল্লাহর নবীজির শেখানো দোয়াটিই ছিল তাঁর মনের স্থিরতা ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল চাবিকাঠি।

কিছু দুঃখ আছে যা সবাইকে বলা যায় না; আবার কিছু ব্যথা ভাষায় প্রকাশ করাও কঠিন। এ সময় মানুষ এমন কাউকে খোঁজে, যার কাছে নির্ভয়ে সব বলা যায়।

তওবা করার সময় যদি মনে এই ধারণা থাকে যে সুযোগ হলে আবারও এই কাজ করব, তবে তা আদৌ তওবা বলে বিবেচ্য হবে না এবং আল্লাহর কাছে তা কবুলও হবে না।

ব্যাকুলতা অর্জনের জন্য প্রথম শর্ত আল্লাহকে চেনা, যাকে বলে ‘মারেফাত’। যখন মানুষের অন্তর্দৃষ্টি প্রসারিত হয়, তখন সে বিপদের মাঝেও আল্লাহর দান দেখতে পায়।

এই গুণের অধিকারী ব্যক্তি শুধু মানসিক প্রশান্তিই পান না, বরং দুনিয়া ও আখেরাতে বিশেষ মর্যাদাও লাভ করেন। তাওয়াক্কুলের ছয়টি উল্লেখযোগ্য লাভ আলোচনা করা হলো।

অনেকেই মনে করেন, মুত্তাকি মানেই এমন ব্যক্তি যার কখনো কোনো গুনাহ হয় না; অথচ কোরআনের শিক্ষা হলো, মুত্তাকি মানেই নিষ্পাপ মানুষ নয়।

মানুষের আত্মার প্রশান্তি ও হৃদয়ের সজীবতা শুধু তখনই সম্ভব, যখন সে তার প্রতিপালককে তাঁর নাম, গুণাবলি ও কার্যাবলির মাধ্যমে চিনতে পারে।

ব্যক্তিগত জীবন, সামাজিক বাস্তবতা কিংবা অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই—সবক্ষেত্রেই সফলতা অর্জনের জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হয় এবং কিছু প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে চলতে হয়।

জিলহজের প্রথম দশকের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে জিলহজের প্রথম ১০ রাতের কসম করে এই দশকের গুরুত্ব মহিমান্বিত করেছেন,