মুক্তিযুদ্ধের আলোকচিত্রী রঘু রাই আর নেই
মুক্তিযুদ্ধের আলোকচিত্রী রঘু রাই আর নেই
মুক্তিযুদ্ধের আলোকচিত্রী রঘু রাই আর নেই
১৮ হাজারতম প্রতিকৃতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে বিরল 'রেড হ্যান্ডফিশ'। দুই দশকের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় মার্কিন আলোকচিত্রী জোল সার্টোরি তাঁর 'ফটো আর্ক' প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাণিজগতের বৈচিত্র্য ও বিলুপ্তির ঝুঁকি ফুটিয়ে তুলছেন।
গায়ে বেগুনি মিডিয়া পোশাক, গলায় অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড এবং হাতে বিশাল লেন্সের ক্যামেরা। ট্র্যাকের পাশে দাঁড়িয়ে ছুটে যাওয়া ফর্মুলা ওয়ান গাড়ির ছবি তুলছেন একজন। অন্য আলোকচিত্রীদের ভিড়ে তাকে আলাদা করে চেনার উপায় নেই। তবে ক্যামেরার পেছনের মানুষটি কোনো সাধারণ ক্রীড়া আলোকচিত্রী নন। তিনি ইউরোপের একট
রঘু রাইয়ের ছেলে, আলোকচিত্রী নীতিন রাই জানিয়েছেন, গত দুই বছর ধরে তাঁর বাবা ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন।
বাংলাদেশ ও নেপালের পুরস্কার বিজয়ী ৩৭ আলোকচিত্রীকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় প্রেসক্লাবে পরিবেশ নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত।
আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত দেশি স্থাপনার বেশির ভাগের ছবিই সাধারণ মানুষের চোখের সামনে এসেছে আসিফ সালমান–এর কল্যাণে।
বাংলাদেশ প্রেস ফটো প্রতিযোগিতা (বিপিপিসি) ২০২৬-এ ‘পিকচার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পেয়েছেন দৈনিক মুক্তকণ্ঠের ডেপুটি হেড অব ফটোগ্রাফি সাজিদ হোসেন। একই সঙ্গে শুরু হয় বাংলাদেশ প্রেস ফটো প্রদর্শনী ২০২৬; ৩২টি নির্বাচিত ছবি নিয়ে প্রদর্শনী চলবে ১২ আগস্ট পর্যন্ত।
শিল্পের ইতিহাসে এমন কিছু সৃষ্টি রয়েছে, যেগুলো দর্শককে মুগ্ধ করার পরিবর্তে প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়। আমেরিকান আলোকচিত্রী আন্দ্রেস সেরানোর ১৯৮৭ সালে নির্মিত আলোকচিত্র ‘ইমার্শন (পিস ক্রাইস্ট)’ সেই বিরল শিল্পকর্মগুলোর মধ্যে অন্যতম।
ইরানি আলোকচিত্রী হেঙ্গামেহ গোলেস্তানের আলোকচিত্রগুচ্ছ ‘উইটনেস ৭৯’ সেই বিরল দলিলগুলোর একটি, যা কেবল কয়েকটি প্রতিবাদ-সমাবেশের ছবি নয়; বরং আধুনিক ইরানের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এমন এক সন্ধিক্ষণকে ধারণ করে, যখন রাষ্ট্র, বিপ্লব এবং নারীর স্বাধীনতা—এই তিনটি শক্তি মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যায়।
‘প্রান্তিকে আলোকচিত্র সাংবাদিকতা’ কর্মসূচির আওতায় দৃকের ‘ইনডিজিনাস কমিউনিটি গ্র্যান্ট-২০২৬’-এর জন্য নির্বাচিত হয়েছেন মুক্তকণ্ঠের বান্দরবানের আলোকচিত্রী সাংবাদিক মং হাই সিং মারমা।
অভিনয়শিল্পী ও শিক্ষক মনোজ প্রামাণিকের বাসায় ঢুঁ মেরেছিলেন আলোকচিত্রী কবির হোসেন। সকাল থেকে শুটিংয়ের জন্য বের হয়ে যাওয়ার মুহূর্তটুকু ক্যামেরায় ধারণ করলেন।