
নাফ নদীতে আরাকান আর্মির গুলি, সাঁতরে সীমান্ত পাড়ি গুলিবিদ্ধ রোহিঙ্গা যুবকের
উখিয়া সীমান্তে আরাকান আর্মির গুলিতে রোহিঙ্গা যুবক গুলিবিদ্ধ

উখিয়া সীমান্তে আরাকান আর্মির গুলিতে রোহিঙ্গা যুবক গুলিবিদ্ধ

বছর দুয়েক আগে মিয়ানমারের প্রত্যন্ত গ্রামটিতে চালানো এই হত্যাযজ্ঞের দায় কখনোই স্বীকার করেনি আরাকান আর্মি।

মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সদস্যরা কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীর মোহনা থেকে তিনটি মাছ ধরার নৌযানসহ ১৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। আজ শনিবার সকালে সাগর থেকে মাছ শিকার শেষে ফেরার পথে শাহপরীর দ্বীপের নাইক্ষ্যংদিয়া নামক এলাকা থেকে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়।

সাগরে মাছ ধরার সময় মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির হাতে আটক জেলেদের উদ্ধারে সরকারকে তৎপর হতে অনুরোধ করেছে নিখোঁজদের পরিবার।

সানজিদার স্বামী আরাকান আর্মির হাতে বন্দী হওয়ার ফলে সন্তানকে বাবাহীন দেখছেন, যা তাঁর দুঃখ বাড়িয়েছে।

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে নাফ নদীর শূন্যরেখায় স্থলমাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা কিশোর আবদুল হাকিমের (১৫) ডান পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়েছে। রোববার বেলা একটার দিকে বালুখালী সীমান্তে মাছ ধরতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। আরাকান আর্মির লাগানো মাইনে এলাকায় হুমকি বাড়িয়েছে।

টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপসহ নাফ তীরের হাজারো জেলে পরিবারে ঈদে নেই আনন্দ। আরাকান আর্মির অপহরণ ও গুলিবর্ষণের ভয়ে মাছ ধরতে পারছেন না জেলেরা; বহু পরিবারে চলছে অনিশ্চয়তা ও মানবেতর জীবন।

এক বছর ধরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকায় টেকনাফ স্থলবন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বড় অংশ দেশটির সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার পর নিরাপত্তার কারণে এই বন্দর দিয়ে বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে।

দুঃখজনক হচ্ছে, তাঁদের উদ্ধারে কার্যকর কোনো তৎপরতা নেই। অসহায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পাশেও দাঁড়ানোর কেউ নেই।

মাইন বিস্ফোরণে উড়ে গেল যুবকের পা

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তিন দিন ধরে মংডু টাউনশিপের আশপাশের এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) অবস্থানে বিমান হামলা জোরদার করেছে সরকারি জান্তা বাহিনী।