ভোমরা বন্দরে আমদানি–রপ্তানি কমেছে, কারণ কী
২০২৪–২৫ অর্থবছরে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ২০ লাখ ৮২ হাজার ৭২২ টন পণ্য আমদানি হলেও ২০২৫–২৬ অর্থবছরে তা কমে ১৯ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭ টনে দাঁড়ায়। একই সময়ে রপ্তানিতেও বড় পতনের তথ্য উঠে এসেছে।
২০২৪–২৫ অর্থবছরে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ২০ লাখ ৮২ হাজার ৭২২ টন পণ্য আমদানি হলেও ২০২৫–২৬ অর্থবছরে তা কমে ১৯ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭ টনে দাঁড়ায়। একই সময়ে রপ্তানিতেও বড় পতনের তথ্য উঠে এসেছে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে বাণিজ্যঘাটতি বেড়ে ১৬.৯১ বিলিয়ন ডলার হয়েছে, কারণ আমদানি বেড়েছে কিন্তু রপ্তানি কমেছে। চলতি হিসাবে ঘাটতি কমে ১ বিলিয়ন ডলার হয়েছে এবং আর্থিক হিসাবে উদ্বৃত্ত বেড়েছে। রেমিট্যান্স ও ট্রেড ক্রেডিট এতে ভূমিকা রেখেছে।
জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে লবণ আমদানি নয়, রপ্তানি করা হবে বলে জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের প্রার্থী এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ
যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক বাজারের মূল ক্রেতা, অর্থাৎ সবচেয়ে বড় আমদানিকারক। এক বছরে ৩ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন বা ৩ লাখ ৫০ হাজার কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে তারা।
চলতি অর্থবছরের অর্থবিলে এ সংক্রান্ত নতুন একটি অধ্যায় যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল ধারণাটি দেশে প্রথমবারের মতো চালু হতে যাচ্ছে। এটি চালু হলে ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা বেশি সুফল পাবেন।
নান্দনিক সৌন্দর্য ও দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষার সমন্বয়ে গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করছে এশিয়ান পেইন্টস; স্থানীয় উৎপাদন ও বৈশ্বিক প্রযুক্তির মেলবন্ধনে বাজার সম্প্রসারণের কথা জানালেন কান্ট্রি ডিরেক্টর কে এস এম মিনহাজ।
ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের সার্ভেস অব কনজিউমারসের পরিচালক জোয়ান হসু বিবৃতিতে বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় এখনো মানুষের প্রধান উদ্বেগের বিষয়।
নতুন ‘আমদানি নীতি আদেশ, ২০২৫-২৭’-এর খসড়া গতকাল উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদিত হয়েছে।
দেশের আমদানি, রপ্তানি ও ব্যাংক গ্যারান্টির জন্য দেশীয় ব্যাংকগুলো মূল ভরসার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। তারাই এখন এই খাতে চালকের আসনে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আংশিক রপ্তানিকারক শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক–কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানিরও সুবিধা দিয়েছে।
আমদানি প্রক্রিয়ার এলসি খোলা, অর্থ প্রেরণ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের বিভিন্ন নির্দেশনা একীভূত করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সানেমের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তেলের দাম ৪০% এবং এলএনজি ৫০% বাড়লে জিডিপি ১.২% কমতে পারে, রপ্তানি ২% এবং আমদানি ১.৫% হ্রাস পাবে। মূল্যস্ফীতি ৪% বাড়বে এবং প্রকৃত মজুরি ১% কমবে। জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সানেম নবায়নযোগ্য শক্তি ও মজুত তৈরির সুপারিশ করেছে।