
কাঁচামাল আমদানিতে ৩০% মূল্য সংযোজনের শর্ত বহাল রাখার দাবি বিটিএমএর
বিটিএমএ বলেছে, এই শর্ত প্রত্যাহার করা হলে বন্ড–সুবিধার অপব্যবহার এবং বাজারে অসম প্রতিযোগিতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। দেশীয় বস্ত্র খাত ধ্বংসের মুখে পড়বে।

বিটিএমএ বলেছে, এই শর্ত প্রত্যাহার করা হলে বন্ড–সুবিধার অপব্যবহার এবং বাজারে অসম প্রতিযোগিতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। দেশীয় বস্ত্র খাত ধ্বংসের মুখে পড়বে।

দূতাবাসের আমন্ত্রণে রাজশাহী ও নওগাঁ অঞ্চলে রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শনে এসেছেন জাপানের ব্যবসায়ী ও প্রতিনিধিরা। জাপানে আম রপ্তানি হলে আমচাষিরা অনেক লাভবান হবেন।

সৌরবিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ আমদানিতে আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক এবং আগাম কর তুলে দিয়েছে সরকার।

পুরো তৈরি অবস্থায় উচ্চ সিসির মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ দিলে কিছু ব্র্যান্ডের সুবিধা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত হবে অন্যরা।

কানাডীয় খাদ্য পরিদর্শক সংস্থা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করেছে।

আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত তিনটি শর্ত পূরণ করে শুল্কমুক্ত সুবিধায় বৈদ্যুতিক বাস ও ট্রাক আমদানি করা যাবে।

এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে ভারতে ভেনেজুয়েলার তেল রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ।

সরকার বেশি তুলতে গিয়ে কম পেয়েছে, আর বাজারে বৈধ বাণিজ্যও সংকুচিত হয়েছে। এই জায়গাতেই কর্মসংস্থানের ঝুঁকির সূত্রপাত।

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মিলনায়তনে স্থানীয় সংসদ সদস্য, কয়লাখনি, তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র ও মধ্যপাড়া পাথরখনির কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দেশীয় সম্পদ উপেক্ষা করে আমদানিনির্ভরতা গড়ে ওঠার কথা তিনি উল্লেখ করেন। তিনি মধ্যপাড়া পাথরখনি ও তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রও পরিদর্শন করেন।

বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৮০০-১০০০ টাকা দামে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে বলে রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি বিদেশ থেকে আমদানির দাবি তুলেছে। তারা বাজেটে কর-ভ্যাট কমানো, এলপিজি সংকট সমাধানসহ ১১ দফা দাবি পেশ করেছে। সংগঠনটি রেস্তোরাঁ খাতকে শিল্প হিসেবে ঘোষণারও আহ্বান জানিয়েছে।

কাজুবাদাম আমদানিতে নতুন শুল্কছাড়ের সুবিধায় দেশীয় প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা চাপে পড়েছে। কেজিপ্রতি ১০১-১০৭ টাকা ছাড় পেয়ে আমদানি বেড়েছে, স্থানীয় উদ্যোক্তা ও কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত। শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

গত এপ্রিলে দেশি–বিদেশি ব্যাংকগুলো ৬৭৯ কোটি ডলারের আমদানি ঋণপত্র খুলেছে এবং ৬৫১ কোটি ডলারের নিষ্পত্তি করেছে। আমদানি বাণিজ্যে শীর্ষ পাঁচে ব্র্যাক ব্যাংক, এইচএসবিসি, দি সিটি ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক ও এসসিবি। এর মধ্যে তিনটি দেশি এবং দুটি বিদেশি ব্যাংক।