
এক সপ্তাহে অপতথ্য ছড়িয়েছে বেশি ভিডিওতে ভর করে
বাংলাদেশে নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতন এখন আলোচিত বিষয়। এ নিয়ে অপতথ্যও ছড়াচ্ছে বেশি। দেশের তথ্য যাচাইকারী প্ল্যাটফর্মগুলো গত এক সপ্তাহে যে শতাধিক অপতথ্য শনাক্ত করেছে, তার মধ্যে এমন ঘটনাই বেশি।

বাংলাদেশে নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতন এখন আলোচিত বিষয়। এ নিয়ে অপতথ্যও ছড়াচ্ছে বেশি। দেশের তথ্য যাচাইকারী প্ল্যাটফর্মগুলো গত এক সপ্তাহে যে শতাধিক অপতথ্য শনাক্ত করেছে, তার মধ্যে এমন ঘটনাই বেশি।

বাংলাদেশভিত্তিক তথ্য যাচাইকারী পাঁচটি প্রতিষ্ঠান গত সপ্তাহে (৩০ মে-৫ জুন পর্যন্ত) তাদের ওয়েবসাইটে মোট ৮৯টি ফ্যাক্ট চেক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায়, পুরোনো ভিডিওকে নতুন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে ছড়ানো হচ্ছে অপতথ্য।

দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার জন্য একটি সংকট হয়ে দেখা দিয়েছে হাম। এই সংকটের বিস্তার ঘটেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। হাম নিয়ে নানা অপতথ্যে সয়লাব এখন ফেসবুক। দেশের পাশাপাশি বিদেশের ঘটনাবলি নিয়েও অপতথ্যের কমতি নেই। ভারতের তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন, এমন গুজবও ছড়িয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে অপতথ্য রোধ করে পরিচ্ছন্ন তথ্য নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল ফেসবুকে ছড়ানো অপতথ্য তদন্তের অগ্রগতি জানতে উপাচার্য কার্যালয়ে গিয়ে আশ্বাস পেয়েছে।

সাক্ষাৎকালে ইউনেসকোর প্রতিনিধি বাংলাদেশে সংস্থাটির চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্যমন্ত্রীকে বিস্তারিত জানান।

গত সপ্তাহে দেশের তথ্য যাচাইকারী চারটি প্রতিষ্ঠান যে ১০১টি ফ্যাক্ট চেক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তার মধ্যে ৪৬টিই রাজনীতিকেন্দ্রিক। আর অপতথ্য সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে ফেসবুকে, তারপরই রয়েছে টিকটিক ও ইনস্টাগ্রাম।

ইন্টারনেট বন্ধ বা গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মতো পদক্ষেপ অনেক সময় পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করতে পারে।

এই ৪০ দিনে হামলা-পাল্টাহামলার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্যের বন্যা দেখার কথা জানিয়েছে বিবিসি। বাংলাদেশভিত্তিক তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধের মধ্যে ছড়ানো ভুয়া তথ্যের দিকে নজর রাখে।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক অপতথ্য ছড়ানোর একটি বড় হাতিয়ার হয়ে উঠেছে সংবাদমাধ্যমের আদলে তৈরি ভুয়া ফটোকার্ড। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব গ্রাফিক কার্ডে পরিচিত সংবাদমাধ্যমগুলোর লোগো, ফন্ট, রং ও নকশা হুবহু নকল করা হচ্ছে, যাতে বানোয়াট তথ্যও সাধারণ মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়।

তথ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন মানবিক বিষয়ে তুরস্কের সমর্থনের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তথ্য মন্ত্রণালয় ডিজিটাল মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য রোধ ও জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর জন্য প্রকল্প হাতে নিয়েছে।