
দুর্বল ইরান আমেরিকার জন্যই বুমেরাং হতে পারে
মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রগুলোর একটি যদি অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে, তাহলে এমন কিছু শক্তি মুক্ত হয়ে যেতে পারে, যা বর্তমান পরিস্থিতির চেয়েও অনেক বেশি বিপজ্জনক হবে।

মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রগুলোর একটি যদি অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে, তাহলে এমন কিছু শক্তি মুক্ত হয়ে যেতে পারে, যা বর্তমান পরিস্থিতির চেয়েও অনেক বেশি বিপজ্জনক হবে।

ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানা এসব প্রতিবেশী দেশের দিকে ঘুরিয়ে দিয়ে যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তা কেবল ঐতিহাসিকভাবে কৌশলগত ভুলই নয়, বরং চরম নৈতিক ও আইনি ব্যর্থতা।

যুদ্ধের অষ্টম দিনে ইরান জুড়ে আরও তীব্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। পাল্টা হামলা ইরানের।

যুদ্ধে বহুল ব্যবহৃত একটি কৌশল হলো শত্রুপক্ষের নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়া। কখনো কখনো এই কৌশল কার্যকর হতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে উড়োজাহাজ পরিচালনা করা আগের অবস্থায় ফিরতে সময় লাগতে পারে বলে মনে করছেন বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা।

দিন দিন যুদ্ধ পরিস্থিতি ভয়াবহ হচ্ছে। এভাবে কত দিন রুমের মধ্যে বসে থাকতে হবে, জানি না। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, বুঝতে পারছি না।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট হতে পারে—এমন আতঙ্কে খুলনা ও সিলেটের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল কিনতে ভিড় করছেন চালকেরা। কোথাও ‘তেল নেই’, কোথাও নির্দিষ্ট পরিমাণে বিক্রি করা হচ্ছে।

কোন দিকে তাকাব, কাকে সমর্থন করব? মন ভাবছে একদিকে, চোখ দেখছে অন্যদিকে। মন বলছে, ইরানের পরাজয় মানে ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতার মৃত্যুঘণ্টা।

ইন্টারনেট নেই বললেই চলে। আগে থেকেই একটি ভিপিএন প্যাকেজ কিনে রেখেছিলাম। দিনে দু–একবার সংযোগ পাওয়া যায়। তখনই জরুরি যোগাযোগগুলো সেরে নেই।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ওপর হামলা জোরদার করছে ইরানপন্থী বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী। তাদের লক্ষ্যবস্তুও করছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।

বিশ্বের মোট জ্বালানির এক–ষষ্ঠাংশ এবং এলএনজির এক–তৃতীয়াংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়ে থাকে।

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে হরমুজ প্রণালির উত্তেজনার মধ্যেই ১৫টি পণ্যবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে।