কুমিল্লা–১০: গফুর ভূঁইয়ার রিট সরাসরি খারিজ, আপাতত নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না
ইসির আইনজীবী মো. ফয়জুল্লাহ মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘হাইকোর্ট গফুর ভূঁইয়ার করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিলের ইসির সিদ্ধান্ত বহাল থাকছে।
ইসির আইনজীবী মো. ফয়জুল্লাহ মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘হাইকোর্ট গফুর ভূঁইয়ার করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিলের ইসির সিদ্ধান্ত বহাল থাকছে।
প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ বা অবৈধ ঘোষণার ক্ষেত্রে ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) পক্ষপাতিত্ব করছে বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী।
মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামায়াতের প্রত্যেক প্রার্থী তাঁদের আয় ও সম্পদের তথ্য উল্লেখ করেছেন।
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। তাঁর আপিল মঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন। এতে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকিকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল খালেক।
স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন–সংবলিত স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে যুক্ত করা–সংক্রান্ত আদেশের বিধানের বৈধতা পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন।
মনোনয়নপত্রের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা ও আয়কর রিটার্নে অনিচ্ছাকৃত তথ্যের ভুল ছিল, যা সংশোধন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পঞ্চগড়–১ (সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী সারজিস আলম।
মাসুম মোস্তফার বিরুদ্ধে বর্তমানে দুটি বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা চলমান। এর মধ্যে হলফনামায় একটি মামলার তথ্য গোপন করা হয়েছে।
খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে ১৫ প্রার্থীর মধ্যে ৮ জনেরই মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। আজ শনিবার যাচাই–বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত জানান জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আনোয়ার সাদাত। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া ভোটার তালিকায় গরমিল থাকা, সমর্থকেরা প্রার্থীকে না চেনাসহ বিভিন্ন গরমিলের কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের হয়ে ফেনী-২ (সদর) আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, মজিবুর রহমানের বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার ১৪৩ টাকা। এর মধ্যে টেলিভিশনে টক শো করেই তিনি আয় করেছেন ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা তাঁর বার্ষিক আয়ের প্রায় অর্ধেক।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস তাঁর অস্থাবর সম্পত্তির দাম ৭০ কোটি টাকা দেখিয়েছেন মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায়। স্থাবর সম্পত্তির বর্তমান মূল্য দেখিয়েছেন ‘অজানা’, তবে এর অর্জনকালীন দাম দেখিয়েছেন পৌনে চার কোটি টাকা। সেই সঙ্গে ২৫ কোটি টাকা