
ইসরায়েলের সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে বড় বাধা ইরান
নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে দিয়েছেন, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান থামাবে না তাঁর দেশ।

নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে দিয়েছেন, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান থামাবে না তাঁর দেশ।

শুভ সকাল! আজ ১৪ এপ্রিলের সকালে লক্ষ্মীপুরে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু, শিশু সোহা মনির বিদায়, বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের সময়কাল, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি আলোচনা ও নেতানিয়াহুর ফোনকলের খবরগুলো পড়ুন। দেশ-বিদেশের আলোচিত পাঁচ খবরের সংক্ষিপ্ত হাইলাইটস।

শাহবাগের বিক্ষোভ সমাবেশে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর জেলে থাকার কথা কিন্তু তাঁদের ঔদ্ধত্যে বিশ্ব জ্বলছে। জাতিসংঘের মহাসচিবসহ সকলে পদত্যাগ করা উচিত কারণ যুক্তরাষ্ট্র এটাকে স্বীকার করে না। ইরান আক্রমণ ও সাম্রাজ্যবাদের প্রতিবাদে সমাবেশ আয়োজন করেছে ভাসানী পরিষদ।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে যে সুসম্পর্ক ছিল, তাতে এখন টানাপোড়েন দেখা দিচ্ছে।

ইসরায়েলে যুদ্ধের প্রতি সমর্থন কমছে, বিশেষ করে ইহুদিদের মধ্যে। জরিপে দেখা গেছে, দ্রুত যুদ্ধবিরতির দাবি বাড়ছে এবং ইরানের শাসন উৎখাতের আশা কমেছে। জনগণ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও দীর্ঘ যুদ্ধে ক্লান্ত।

ইরানের বিরুদ্ধেও ‘টাকো ট্রাম্প’ একই রকম হুমকি দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে এমনভাবে গুঁড়িয়ে দেবেন যে ইরানি সভ্যতা বলে কিছু থাকবে না।

ইরানে অভিযানের জন্য টানা চাপ দিয়ে আসছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তারপরই যুদ্ধে নামলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে ইসরায়েল অনিচ্ছুক হলেও ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত মেনে চলবে। ইসরায়েলি সূত্র সিএনএনকে এ তথ্য দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে সম্মান করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়। এতে ইসরায়েল লেবাননে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে পারবে। দক্ষিণ লেবাননে তারা অভিযান ত্বরান্বিত করেছে।

ইরান-ইরাক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে লেখক বেহরুজ ঘামারি–তাবরিজি দেখছেন, বাইরের আক্রমণে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র পতনযোগ্য নয়। ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বোমাহামলা যুদ্ধও একই ভুল পুনরাবৃত্তি করছে। ইরানিরা বুঝেছে, রাষ্ট্রের পাপের জন্য জাতীয় শাস্তি গ্রহণযোগ্য নয়।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের যৌক্তিকতার অভাব এবং উভয় মিত্রের লক্ষ্যের বিরোধিতা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। ইসরায়েলের নেতানিয়াহু রাজনৈতিক সুবিধার জন্য যুদ্ধকে কাজে লাগাচ্ছেন, কিন্তু এতে ভবিষ্যৎ ঝুঁকি বাড়ছে। মার্কিন সাহায্যের অনিশ্চয়তা ইসরায়েলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ করলে ইসরায়েলও হামলা বন্ধ করবে। টাইম সাময়িকীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের চাপ স্বীকার করেন এবং নেতানিয়াহুর নির্ভরশীলতা তুলে ধরেন। যুদ্ধের কৌশল ও এআই ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।