
ইরান যুদ্ধ যেভাবে বদলে দিচ্ছে বিশ্বের সমীকরণ
তেহরানের আকাশে এখন যুদ্ধবিমানের গর্জন দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তেহরানের আকাশে এখন যুদ্ধবিমানের গর্জন দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আগ্রাসনের জেরে তেহরানের বন্ধ করে দেওয়া হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে চীনসহ মিত্রদের সহায়তা চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

জ্বালানিসংকটের মাধ্যমে ওয়াশিংটনকে পিছু হটতে বাধ্য করাই এখন তেহরানের প্রধান চাল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আতঙ্কিত নন তেহরানবাসী। তাঁরা এই যুদ্ধকে জীবনের যুদ্ধ মনে করছেন। অন্যায় এই হামলার সমুচিত জবাব দিতে চান তাঁরা।

তেহরানের উত্তরে কারাজ এলাকাতেও একইভাবে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটেছে। পূর্ব তেহরানের একটি আবাসিক এলাকায় ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছে। অপর এক প্রতিবেদনে কর্তৃপক্ষের বরাতে বলা হয়েছে, এই হামলায় অন্তত ৪০ ইরানি নিহত হয়েছেন।

তেহরানে বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া সরকার পরিবর্তনের ধারণাকে আঙ্কারা কোনোভাবেই স্থিতিশীলতার সমাধান হিসেবে দেখে না।

যুদ্ধের কয়েক দিনের মধ্যেই তেহরান ফাঁকা হতে শুরু করেছে। অনেকে ঘরের ভেতর আটকে আছে, অনেকে শহর ছেড়ে চলে গেছে।

ইসরায়েল গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় তেহরানের কিছু জ্বালানি স্থাপনায় বড় হামলা চালায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ ছাড়া তেহরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি করবেন না তিনি।

ইরানের দুই শক্তিশালী কূটনৈতিক মিত্র রাশিয়া ও চীন। তেহরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া এ যুদ্ধকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে দেশ দুটি।

গত শনিবার তেহরানে হামলায় শাহাদাত বরণ করেন খামেনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

কর্মদিবস শুরু হয়ে রাস্তাঘাট ও অফিস জনাকীর্ণ থাকার সময়, সকাল প্রায় সোয়া ৯টার দিকে দিনের আলোতে তেহরানের ওপর বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র পড়তে শুরু করে।