ইরানের নতুন শান্তি প্রস্তাব খতিয়ে দেখছেন ট্রাম্প, ‘অসদাচরণ’ করলে আবার হামলার হুঁশিয়ারি
তেহরান বলছে, এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের। অন্যদিকে, ইরানের নতুন প্রস্তাব ট্রাম্প সম্ভবত প্রত্যাখ্যান করছেন।
তেহরান বলছে, এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের। অন্যদিকে, ইরানের নতুন প্রস্তাব ট্রাম্প সম্ভবত প্রত্যাখ্যান করছেন।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতায় তেল নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পথ খুলছে; একই সঙ্গে ইরানে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ তহবিল গঠনের পরিকল্পনাও সামনে এসেছে।
ট্রাম্প কেন যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ালেন
তেহরানের সাথে আলোচনায় ইরানের ‘অবিশ্বাস্য প্রতারণার’ অভিযোগ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যা দীর্ঘদিনের মার্কিন-ইরান সম্পর্কের জটিলতাকে আবারও সামনে এনেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ‘ভালো বন্ধু’ এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সতর্ক করার পর ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানো বন্ধ করেছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবারই ইরানে নতুন হামলার হুমকি দিচ্ছেন। তবে শেষ মুহূর্তে আবার সে অবস্থান থেকে সরে আসছেন। আবার একই কাজ করলেন তিনি।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ (শান্তি পর্ষদ) যুগের প্রথম যুদ্ধ শুরু হলো। কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের শাসক পরিবর্তনের চেষ্টা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
ট্রাম্প গতকাল এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এখন ইরানে নতুন নেতৃত্ব খোঁজার সময় এসেছে।’
যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের সব বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার হুমকি ইরানের।
সাম্প্রতিকতম মার্কিন হামলাগুলোর কয়েকটি দক্ষিণ ইরানে ও দৃশ্যত হরমুজ প্রণালির ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
ইরানের পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারির পর ট্রাম্প এমন হুমকি দিয়েছেন।
ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে বিমান ও নৌবাহিনী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনায় রাখছে।